পুরস্কার বিতরণীর পর শিরোপা জয়ের উল্লাসে মাতে বাংলাদেশ। তবে যুগ্মভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারত উদযাপনের ধারের কাছেও যায়নি। টাইব্রেকার থামিয়ে ম্যাচ কমিশনারের বিতর্কিত টসে জিতে যাওয়াকেই তারা চূড়ান্ত বলে মানছিল। বাংলাদেশের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার সাংবাদিকদের টস কাণ্ড নিয়ে কথা বলেন।
টস কাণ্ড নিয়ে আফঈদা বলেছেন, ‘আমি মনে করেছিলাম পুনরায় শট হবে এজন্য টস। আমাদেরকে এই ব্যাপারে কিছুই বলা হয়নি। আমি শুধু টসের জন্য গিয়েছিলাম । রেফারি আমাদেরকে গুড লাক বলেছিল। এরপর কয়েন দেখিয়ে বলছিল যে তুমি (ভারতের অধিনায়ককে) নীল আর আমাকে সবুজ। টস করল, রেফারি বাঁশি বাজানোর পর আমি তো অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি। রেফারি আমাকে একবারও বলেনি যে টসের মাধ্যমে ম্যাচ জেতা কিংবা হারা নির্ধারিত হবে। কি বলব, আমি তখন ভাষা খুঁজে পাইনি।’
নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে অমীমাংসিতভাবে শেষের পর ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়। প্রথম পাঁচ শটের সবকটিতে বাংলাদেশ ও ভারত জালের দেখা পায়। সাডেন ডেথ টাইব্রেকারেও দুদলের পাঁচ শট লক্ষ্যভেদ হয়। দুই দলের গোলরক্ষকরাও নিশানাভেদ করলে ব্যবধান দাঁড়ায় ১১-১১। আকস্মিকভাবে ম্যাচ কমিশনার রেফারিকে ডেকে টস করতে বলেন। রেফারি দুই দলের অধিনায়ককে টসে ডাকেন।
শ্রীলঙ্কান ম্যাচ কমিশনার সিলভা জয়সুরিয়ার ভুলেই ঘটেছে এমন লঙ্কাকাণ্ড। নিয়মের তোয়াক্কা না করে সাডেন ডেথ না চালিয়ে তিনি টসের পথে হাঁটেন । এরপর তিনি ভুল স্বীকার করলেও ভারত আর সাডেন ডেথে যেতে চায়নি। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে ফল নিয়ে মহানাটক। পরে আপসের মাধ্যমে দুই দল যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিষয়টি মেনে নেয়।পরে আপসের মাধ্যমে দুই দল যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিষয়টি মেনে নেয়। যদিও বাঘিনীরা এভাবে ট্রফি জিততে চায়নি বলেও সাফ বলেন আফঈদা।’
‘এভাবে তো কেউই জিততে চায় না। ভাগ্যে থাকলে আমরা অবশ্যই ভালোভাবে জিততে পারতাম। যৌথভাবে না হয়ে এককভাবে আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে অনেক বেশি ভালো লাগতো।







