কুমিল্লার দেবিদ্বারে লিচু দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ধর্ষক ভণ্ডপীর মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন শাহের অনুসারীরা ভুক্তভোগীর পরিবারকে হুমকি দিয়েছিল।
গত ২ জুন শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ৬ জুন ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে গতকাল রাতে র্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-১১ এর যৌথ অভিযানে গত রাতে রাজধানীর মিরপুরে অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক ভণ্ডপীর মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনকে গ্রেপ্তার করে।
সোমবার ১৯ জুন কারওয়ান বাজারের র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি বলেন: ইকবালের বাড়ীর পাশের মাঠে ভুক্তভোগী খেলতে গেলে সে শিশুটিকে লিচু দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার আস্তানায় ডেকে নিয়ে কৌশলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ভিকটিম সেখান থেকে পালিয়ে বাড়ীতে আসলে তার মা তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। গ্রেপ্তার ইকবাল এবং তার অনুসারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য ভিকটিমের পরিবারকে ভয়ভীতি দেখায়। পরে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ধর্ষক ইকবাল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেপ্তার এড়াতে তার নিজ আস্তানা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়।
কমান্ডার মঈন বলেন, গ্রেপ্তার ধর্ষক ঘটনার পর থেকে এলাকা থেকে পালিয়ে প্রথমে কক্সবাজার ও পরে নারায়ণগঞ্জে আত্মগোপন করে। সর্বশেষ সে তার স্থান পরিবর্তন করে রাজধানীর মিরপুরে তার এক পরিচিতের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন।
গ্রেপ্তার ধর্ষক ইকবালের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।










