ভৌগলিক ও আর্থসামাজিক কারণে দেশের চরাঞ্চলে মানুষ বাকিদের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের বিশেষ ঝুঁকিতে থাকায় এই ব্যবধান আগামীতে আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জাতীয় নীতি-পরিকল্পনায় চরাঞ্চলের জলবায়ু-সহিষ্ণু উন্নয়নকে যথাযথ অগ্রাধিকার দেয়ার বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর, ঢাকায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভবনে ন্যাশনাল চর অ্যালায়েন্স (এনসিএ)-এর আয়োজনে ‘ক্লাইমেট চেইঞ্জ রেজিলিয়েন্স ইন চর এরিয়াস এলং দ্যা যমুনা রিভার বেসিন’ শীর্ষক কর্মশালায় এমন মতামত দেন অংশগ্রহণকারী গণমাধ্যম-কর্মীরা। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং সুইস রেডক্রসের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন যমুনা প্রকল্পের সহায়তায় এনসিএ-এই কর্মশলা আয়োজন করে।
কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল আই-এর প্রধান নির্বাহী সম্পাদক জাহিদ নেওয়াজ খান, সুইস রেডক্রসের ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ সঞ্জীব বিশ্বাস সঞ্জয়, বাংলাদেশ সেফ অ্যাগ্রো ফুড এফোর্ট ফাউন্ডেশন-এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিক, এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।
ওয়ার্কশপে প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করেন যমুনা প্রকল্পের পরিচালক মো. জসিম উদ্দীন কবির এবং উন্নয়ন সমন্বয়-এর গবেষণা পরিচালক আব্দুল্লাহ নাদভী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ন্যাশনাল চর অ্যালায়েন্স (এনসিএ) এর সদস্য সচিব জাহিদ রহমান।
কর্মশালার আলোচনায় চরবাসীর দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা, জলবায়ুবান্ধব উন্নয়ন কর্মসূচির সাফল্য ও সম্ভাবনা, বিশেষ ঝুঁকিতে থাকা নাগরিকদের সামাজিক সেবার চাহিদা, এবং চরের সামষ্টিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনার ওপর আলোকপাত করা হয়। এসব ক্ষেত্রে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে প্রয়োজনীয় নীতি উদ্যোগ এবং সেগুলো বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে মতামত দেন অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা।
কর্মশালায় দৈনিক ইত্তেফাকের মুন্না রায়হান, দৈনিক সময়ের আলোর রফিকুল ইসলাম সবুজ, দৈনিক সমকালের জাহিদুর রহমান, চ্যানেল আইয়ের মাশরুর শাকিল, সময় টিভির সেলিয়া সুলতানা, দীপ্ত টিভির সাদিয়া চৌধুরী, দৈনিক আমাদের সময়ের চপল মাহমুদ, এটিএন বাংলার ফেরদৌস রহমান, এখন টিভির সাজিদ আরাফাতসহ অন্যান্যরা অংশগ্রহণ করেন।








