‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’-এ কিছু বিধান অপপ্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে উল্লেখ করে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আমলে নিয়ে পর্যালোচনার জন্য শিগগিরই উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন সরকারের আইন উপদেষ্টা উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, সংশোধিত অধ্যাদেশে কিছু জায়গায় অপব্যাখ্যা বা অপপ্রয়োগের আশঙ্কা রয়েছে বলে আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করা হবে। এজন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার কোনোভাবেই যেন জনসেবা ও সরকারি চাকরির ন্যায্যতা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অপপ্রয়োগের আশঙ্কা দূর করে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। কমিটিতে সংশ্লিষ্ট খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা থাকবেন। তারা অধ্যাদেশের বিতর্কিত ও সম্ভাব্য দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে সরকারকে সুপারিশ দেবেন।
উল্লেখ্য, সরকারি চাকরি সংশোধন সংক্রান্ত এ অধ্যাদেশটি সম্প্রতি অনুমোদন পায় এবং এর কয়েকটি ধারা নিয়ে কর্মচারী সংগঠনসহ বিভিন্ন মহলে বিতর্ক দেখা দেয়। এর মধ্যে বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে চাকরিচ্যুতির ক্ষমতা ও শাস্তি সংক্রান্ত ধারা, যা যথাযথ নজরদারি ছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহারকে উৎসাহিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।








