আন্তর্জাতিক

সিরিয়াকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ তালিকা থেকে বাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্প ও এরদোগান আলোচনা করছেন, দুই দেশের পতাকা পেছনে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান আলোচনা করছেন।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

সিরিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র’ তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়ার ওপর থাকা কিছু রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে সামরিক সহযোগিতার সুযোগও তৈরি হতে পারে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা।

একই সঙ্গে সিরিয়ার সাবেক বিদ্রোহী সংগঠন হায়াত তাহরির আল-শামকেও যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী’ তালিকা থেকে সরানো হয়েছে।

মার্কো রুবিও বলেন, সিরিয়ার জনগণের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য নতুন সুযোগ তৈরিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এটি আরেকটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মাধ্যমে সিরিয়ার অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার পথ আরও সহজ হতে পারে।

সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়ার ইঙ্গিত অবশ্য আগেই দিয়েছিল ওয়াশিংটন। গত মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রক্রিয়া শুরু করেন।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্পের সঙ্গে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার বৈঠককে এই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হয়েছিল। ওই বৈঠক শারার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা একসময় হায়াত তাহরির আল-শামের নেতৃত্বে ছিলেন। সংগঠনটির সঙ্গে অতীতের সংশ্লিষ্টতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তিনি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও নিরাপত্তা নজরদারির আওতায় ছিলেন।

একসময় যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী তালিকায় থাকা একজন ব্যক্তির হোয়াইট হাউসে প্রবেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছিল।

সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দামেস্ক ও ওয়াশিংটনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ইসরায়েল-সিরিয়া উত্তেজনার কারণে নতুন এই সম্পর্ক কতটা স্থায়ী ও কার্যকর হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

বিষয়:যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়া

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…