চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

স্বাস্থ্য-পুষ্টি জ্ঞানে সমৃদ্ধ হচ্ছে রংপুর ও নীলফামারীর কিশোর-কিশোরীরা

মেরিনা লাভলীমেরিনা লাভলী
৪:৫৬ অপরাহ্ণ ০৩, এপ্রিল ২০২৪
জনপদ, রংপুর
A A

রিয়া, মুবিন, মালিহা, ওহী, আসিফ। ওদের বয়স ১২ থেকে ১৪। সবাই মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ের কেবিনেটের তারা নির্বাচিত প্রতিনিধি। তারা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যায়। সব সহপাঠির সাথে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তাদের কেউ বিদ্যালয়ের পরিবেশ, যেমন- বিদ্যালয়ের আঙিনা, টয়লেট পরিস্কার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা তদারকি করছে, কেউ বই ও শিখন সামগ্রীর দায়িত্বে থাকে, কেউ স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলো দেখভাল করে।

কেউ আবার সহশিক্ষা কার্যক্রম, কেউ বৃক্ষরোপন ও স্কুলে পুষ্টিবাগানের দায়িত্ব পালন করছে। তাদের নেতৃত্বে চলছে বিদ্যালয়ের নানা কার্যক্রম। তারা বিদ্যালয়ের কিশোর-কিশোরী কর্ণারের মাধ্যমে নিজেকে জানতে পারছে। কিশোর-কিশোরী বয়সে তাদের শারীরিক-মানসিক পরিবর্তন ও করণীয় সম্পর্কে বুঝতে শিখেছে। খাবারের পিরামিড থেকে পুষ্টি ঘাটতি মেটাতে করনীয় ও সুষম খাদ্য গ্রহণ সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জেন্ডার সমতা নিয়ে নানা আলোচনা করছেন বিদ্যালয়ের জেমস শিক্ষকরা। কারাতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কিশোরীরা হয়ে উঠেছে আত্মবিশ্বাসী। প্রশিক্ষিত বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরাও শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। এমন চিত্র রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার চরবেষ্টিত কোলকোন্দ আব্দুস সামাদ দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয় ও গঙ্গাচড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের।

জয়েন্ট অ্যাকশন ফর নিউট্রেশন আউটকাম (জানো) প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৩১টি বিদ্যালয়ের ব্যস্থাপনা কমিটি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এমন উন্নয়ন ঘটেছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে রংপুর বিভাগের রংপুর ও নীলফামারী জেলার পাঁচ বছরের নিচে ১ লাখ ৯০ হাজার ৩২২ জন শিশু এবং ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৮৪১ জন কিশোর-কিশোরীর নেতৃত্বের বিকাশ, স্বাস্থ্য-পুষ্টি জ্ঞান লাভ ও শারীরিক-মানসিক অবস্থার উন্নয়ন হয়েছে।

পুষ্টি নিরাপত্তায় শিক্ষার্থীদের জলবায়ু সহিষ্ণ সবজি বাগান
গঙ্গাচড়া সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের এক প্রান্তে এক শতক জমির উপর তৈরী করা হয়েছে সবজি বাগান। শীত মৌসুম শেষ হওয়ায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজর, মুলাসহ অন্যান্য সবজি বাগান থেকে তোলা হয়েছে। বর্তমানে বাগানের একটি বেডে টমেটো গাছ রয়েছে। সেখানে প্রচুর কাঁচা-পাকা টমেটো ঝুলছে। এর পরের বেডগুলোতে গিমা কলমি, পুঁইশাক, পালং শাক, লাল শাকের বীজ ছিটানো হয়েছে। সেখানে নিয়মিত বাগান পরিচর্যা করছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া মনি সহপাঠিদের সাথে এ বাগানের দেখভাল করে। সে জানায়, জানো প্রকল্পের মাধ্যমে পুষ্টিবাগান করতে শিক্ষার্থীরা উদ্বুদ্ধ হয়। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে জৈব সার ব্যবহার করে বাগানে ৬টি বেড তৈরী করা হয়। সেখানে কৃষি কর্মকর্তার কাছে পুষ্টিগুণ জেনে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজি লাগান শিক্ষার্থীরা। বেডের পাশাপাশি বাগানের বেড়ায় লতা জাতীয় পুঁই শাক, বরবটি, করলাসহ নানা সবজি লাগানো হয়। জৈব বালাইনাশাকের ব্যবহার সম্পর্কে জানাতে পারে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞান নিয়ে বিদ্যালয়ের মত বাড়িতেও সবজি বাগান গড়ে তুলেছে তারা।

কোলকোন্দ আব্দুস সামাদ দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা অল্প জমিতে কিভাবে অধিক পরিমান পুষ্টিকর শাক-সবজি আবাদ করতে পারবো তা কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে জেনেছি। এই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে গোবর দিয়ে জৈব সার করে বাড়ির আঙ্গিনায় সবজি বাগান করেছি। আমার সবজি বাগান দেখে প্রতিবেশীরাও অনুরূপ সবজি বাগান করেছে। বাগান থেকে আমরা পুষ্টিকর টাটকা শাক-সবজি খেতে পারছি এবং এতে পুষ্টির চাহিদা পুরন হচ্ছে। সেই সাথে কিছু শাক-সবজি আমি প্রতিবেশীদের দিতেও পারছি। এ কাজে জানো প্রকল্প এবং আমাদের শিক্ষকরা অনেক উৎসাহিত করেছে।

একই বিদ্যালয়ের অস্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলেন, বিদ্যালয়ে সবজি বাগানের মাধ্যমে রবি, খরিপ-১, খরিপ-২ মৌসুমে কি কি শাক-সবজি আবাদ হয় তা জানতে পেরেছি। সেই সাথে সার, বিষমুক্ত উপায়ে রোগ-বালাই ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জেনেছি। যা আমাদের পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছি।

Reneta

নিজেকে জানছে কিশোর-কিশোরীরা
কৈশোরকালীন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের বিষয়গুলোর সম্পর্কে কিশোর কিশোরীদের মধ্যে রয়েছে অনেক ভ্রান্ত ধরণা। এ বয়সে তারা সমাজে প্রচলিত নানা ধরণের কুসংস্কারের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ে। এমতাবস্থায় বয়ঃসন্ধিকালে কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক-মানসিক পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে বিদ্যালয়ে কিশোর-কিশোরী কর্ণার স্থাপন করেছে জানো প্রকল্প। এ কর্ণারে এসে তারা নিজেদের শারীরিক উচ্চতা, ওজন মেপে, আদর্শ বিএমআই নির্ণয় করতে পারছে, পুষ্টি তালিকা ও ফুড পিরামিড দেখে খাবারের পুষ্টিমান ও পুষ্টিগুণ (ক্যালোরি) দেখে খাদ্য তালিকা প্রস্তুত করতে পারছে। বিভিন্ন ইনডোর গেমস খেলার মাধ্যমে এবং ভিডিও প্রদর্শনের মাধ্যমে বয়ঃসন্ধিকালীন শারীরিক-মানসিক পরিবর্তন সম্পর্কে বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য তথ্য জানতে পারছে।

গঙ্গাচড়া সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, মাসিক হলে আমরা অনেক ভয় পেতাম। অনেকে বাসায় বলতো না। ফলে অনেক সময় আমার বন্ধুরা স্কুলে আসতো না। জেমস ট্রি’র মাধ্যমে আমরা মাসিকের সময় করনীয়, বয়সন্ধিকালে শারীরিক মানসিক পরিবর্তন সম্পর্কে জেনেছি। বাল্যবিবাহের কুফল, আবেগ অনুধাবন করতে পেরেছি। আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে মাসিকের সময় দুধ, ডিম খাওয়া যাবে না। অথচ রক্তক্ষরণের কারণে সেই সময় বেশি বেশি দুধ, ডিম খাওয়া প্রয়োজন হয়।

কোলকোন্দ আব্দুস সামাদ দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের জেমস শিক্ষক বলেন, আমরা ষষ্ঠ থেকে সপ্তম শ্রেণি এবং অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১৩টি করে মোট ২৬টি সেশন করি। এসব সেশনে প্রথম বর্ষে জেন্ডার ও সেক্স, জেন্ডার বৈষম্য, সাম্য ও সমতা, শ্রম বিভাজন, বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তন, মাসিক ব্যবস্থাপনা, স্বপ্নদোষ ও ব্যক্তিগত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, আবেগ অনুধাবন ও ব্যবস্থাপনা, মানসিক চাপ ব্যবস্থা, সহিংসতা ধারণা, কিশোর-কিশোরীদের প্রতি ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য সহিংসতা, এ থেকে উত্তরণে সম্মিলিত প্রচেষ্টা বিষয়ে আলোচনা করি। দ্বিতীয় বর্ষে নারী-পুরুষের অবস্থান, মাদকমুক্ত থাকার কৌশল, এইচআইভি এইডস সংক্রমণ ও প্রতিরোধ, সু-সম্পর্ক, সম্পর্কের মধ্যে প্রত্যাশা ও দায়িত্ব, দ্ব›দ্ব ব্যবস্থাপনা, বালবিবাহের কুফল, দ্বিধাহীন যোগাযোগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানানো হয়। জেমস ট্রি’র বিষয়ে আলোচনার কারণে কিশোর কিশোরীদের মাঝে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বেড়েছে।

আত্মবিশ্বাসী হচ্ছে শিক্ষার্থীরা
জানো প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানা ধরণের খেলাধুলায় যুক্ত হচ্ছে। সেই সাথে আত্মরক্ষায় তাদের কারাতে প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়েছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছে। গঙ্গাচড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলেন, জানো প্রকল্প যখন কারাতে শেখানোর কথা জানিয়েছিল তখন অনেকে আগ্রহী ছিলো না। আমরা ২৫ জন মেয়ে শিক্ষার্থী ৩২ দিন ধরে কারাতে শিখেছি। এটি শেখার পর বান্ধবীরা আগ্রহী হয়ে আমার কাছে শিখছে। তারা আত্মরক্ষার কৌশল শিখে আত্মবিশ্বাসী হয়েছে। আগে বাহিরে গেলে অনেক ভয় পেতাম, এখন আর কোন ভয় লাগে না।

পাল্টে গেছে বিদ্যালয়ের শিখন-পঠন কার্যক্রম
জানো প্রকল্পের মাধ্যমে প্রকল্পভূক্ত বিদ্যালয়গুলোর ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও শিক্ষকদের বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা বিষয়সহ জেন্ডার ইকুইটি মুভমেন্ট ইন স্কুলস এর উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এতে করে ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা সক্রিয় হয়ে বিদ্যালয়ে পাঠদানসহ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখছেন এবং বিদ্যালয় ভিত্তিক বার্ষিক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছেন।

গঙ্গাচড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল আখের মিঞা বলেন, জানো প্রকল্পের নানা কার্যক্রমের কারণে স্কুলের পাঠদানসহ অন্যান্য কার্যক্রম অত্যন্ত সক্রিয় হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে কৃষি ও গাহস্থ্য বিষয়ে পড়ছে এবং সেটির প্রয়োগ পুষ্টিবাগানে করছে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান, বিদ্যালয় পর্যায়ে ক্যাম্পেইন, বিতর্ক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, অভিভাবক সমাবেশে প্রকল্পের কর্মকর্তারা কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি ও জেন্ডার সমতা নিয়ে কথা বলেছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা অনুপ্রাণিত হয়েছে এবং পুষ্টি সম্পর্কে তাদের সচেতনতা বেড়েছে।

জানো প্রকল্পের কার্যক্রম
২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে রংপুর বিভাগের নীলফামারী জেলার ডোমার, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও নীলফামারী সদর উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন এবং রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও তারাগঞ্জ উপজেলার ২০টি ইউনিয়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে, অস্ট্রিয়ান ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশনের সহঅর্থায়নে কেয়ার অস্ট্রিয়া এবং প্লান ইউকে’র সহায়তায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে কেয়ার বাংলাদেশ, প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং ইকো স্যোসাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। চলতি বছর জুনে শেষ হচ্ছে এ প্রকল্পের মেয়াদ। জানো প্রকল্পে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের অপুষ্টি নিরসন, গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী নারী এবং কিশোরীদের পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিতকরণে সরকারের দ্বিতীয় জাতীয় পুষ্টি কর্ম-পরিকল্পনা (ঘচঅঘ-২) বাস্তবায়নে সহায়ক প্রকল্প হিসাবে কাজ করে চলেছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কিশোরীরা ক্ষমতায়িত হয়েছে। এর ফলে তারা পুষ্টি-সংবেদনশীল ও পুষ্টি নির্ভর সেবাগুলো সম্পর্কে জানতে পারছে এবং প্রয়োজনমত সেবা নিতে পারছে।

জানো প্রকল্প রংপুর ও নীলফামারী জেলার ৬৫টি ইউনিয়ন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে বার্ষিক পুষ্টি কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং দ্বি-মাসিক সভার আয়োজন, জেলা-উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান, উপজেলা ও কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যায়ে কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপের (সিএসজি) বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা মিটিং, এবং সিএসজি পূর্ণগঠন, কৃষক প্রশিক্ষণ ও বসতভিটায় সবজি চাষ, স্কুল পর্যায়ে সবজি বাগান, দিবস উদযাপন, স্কুল ও মাদ্রাসায় জেমস কার্যক্রম, উন্নয়নের জন্য নাটক (টিএফডি) দলের জন্য উপকরণ বিতরণ, স্কুল ও মাদ্রাসায় কিশোর-কিশোরী কর্ণার কার্যক্রম, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও ক্যাম্পোইন কার্যক্রম, করোনা ভাইরাস সচেতনতা নানা কার্যক্রম।

জানো প্রকল্পের ফুড বেইজ নিউট্রেশন কনসালটেন্ট শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচিত স্কুলে জানো প্রকল্প কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য পুষ্টি নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করেছে। কিশোর-কিশোরীরা নিজেদের জানছে এবং তাদের শারীরিক-মানসিক পরিবর্তনে করণীয় নিয়ে অবগত হয়েছে। মেয়েরা তাদের আত্মরক্ষার কৌশল শিখেছে। স্কুল কেবিনেট কার্যক্রম সক্রিয় হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটছে। আইসিটি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষিত হয়ে তাদের পরিবারে জানাচ্ছে, তারা স্মার্ট হচ্ছে। আমরা মনেকরি জানো প্রকল্পের বাস্তবায়িত কার্যক্রমের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও পুষ্টিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এসএমসি’র সদস্যরা স্কুল ভিজিট করছে, কিশোর-কিশোরী কর্নারে শিক্ষার্থীরা যাচ্ছে, সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অর্ন্তভ‚ক্ত করা হচ্ছে। এসব বিষয়গুলো পাশের স্কুলে, পরিবারে ছড়িয়ে পড়ছে। এভাবে ধীরে ধীরে জানো প্রকল্পের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কার্যক্রম সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে।

রংপুর সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ ওয়াজেদ আলী বলেন, জানো প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য-পুষ্টি সম্পর্কিত জ্ঞান ছড়িয়ে পড়েছে। তারা পুষ্টি বাগানের মাধ্যমে শাক-সবজি আবাদ এবং পরবর্তীতে তা খাওয়ার মাধ্যমে তাদের পুষ্টি নিশ্চিত করছে। ফলে আগামীর প্রজন্ম মেধাবী, স্বাস্থ্যবান হয়ে বেড়ে উঠছে। যা আমাদের এসডিজি অর্জনে সহায়ক হবে। আমরা জানো প্রকল্পের সাথে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছি।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: কিশোর-কিশোরীজয়েন্ট এ্যাকশন ফর নিউট্রেশন আউটকামরংপুর সিভিল সার্জনস্কুলে পুষ্টিবাগান
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ফেডারেশন কাপ ফাইনাল: প্রথমার্ধে এগিয়ে মোহামেডান

মে ২০, ২০২৬

‘প্রিন্স’ ও ‘রাক্ষস’ নিয়ে কাল আসছে নতুন ওটিটি

মে ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

টিকা স্বল্পতার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

মে ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দুই মাস পর হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে দুটি চীনা ট্যাংকার

মে ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

‘ব্যক্তি উদ্যোগেও সরকারি খাল খনন করা যাবে’

মে ২০, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT