নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় টিকটক বানানোর কথা বলে এক কিশোরকে মুখে টেপ পেঁচিয়ে হাত-পা বেঁধে দীঘির পানিতে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত ইয়াসিন আরাফাত উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের উত্তমপুর গ্রামের ভূঁঞা বাড়ির সাহাবুদ্দিনের ছেলে।
সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের দিঘী থেকে নিহত কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে তাকে মুখে টেপ পেঁচিয়ে, হাত-পা বেঁধে উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বঙ্গের দীঘিতে ফেলে দেয়া হয়েছিল।
আটককৃত কিশোররা হলো, উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের উত্তমপুর লামছি গ্রামের মহিন উদ্দিনের কিশোর ছেলে ও কবিরহাট পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর অজি উল্যার কিশোর ছেলে ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত আরাফাতকে কিছু ছেলের সাথে চলাফেরা করতে বারণ করে তার চাচাতো ভাই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আরাফাত তাকে মারধর করে। পরে সেই চাচাতো ভাই আরফাতকে হত্যার কৌশল খুঁজতে থাকে। পরবর্তীতে আরেক বন্ধুর সাথে সে পরামর্শ করে আরাফাতকে গত বৃহস্পতিবার সকালের দিকে টিকটিক বানানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার বঙ্গের দিঘীর পাড়ে নিয়ে টিকটক বানানোর কথা বলে কৌশলে তার মুখে টেপ পেঁচিয়ে, হাত-পা বেঁধে দীঘির পানিতে পেলে দিয়ে হত্যা করে চলে যায়।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোর্তাহীন বিল্লাহ বলেন, নিখোঁজের তিনদিন পর এ ঘটনায় নিহত কিশোরের মা শাহানারা আক্তার কবিরহাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির আলোকে ঘটনার ১১দিন পর পুলিশ অভিযুক্ত দুই কিশোরদের আটক করে। একপর্যায়ে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যার রহস্য উদঘাটন করে।







