বাংলাদেশ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছয় মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠির বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেনি ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট। পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেছেন, কংগ্রেসম্যানদের যেকোন তথ্যের বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করেই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
এর আগে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি, স্যাংশন, ভিসানীতি ও ২০২৪ সালে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকেও চিঠি দিয়েছেন ছয় কংগ্রেস সদস্য।
এরা হলেন, উইলিয়াম আর কিটিং, জেমস পি ম্যাকগভর্ন, বারবারা লি, জিম কষ্টা, দিনা তিতাস ও জেমি রাসকিন।
গত ৮ জুন দেয়া এই এই চিঠির ছবি প্রকাশ্যে এনে কংগ্রেস সদস্য বিল কিটিং টুইটে জানান, বাংলাদেশের চলমান মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্লিঙ্কেনকে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও কর্মকর্তাদের মাধ্যমে যেসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে এগুলোর বিষয়ে জবাবদিহিতা অব্যাহত রাখতেও আহ্বান জানান তিনি।
ছয় মার্কিন কংগ্রেসম্যানের বিরুদ্ধে প্রবাসীদের বিবৃতি
বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের সুযোগ তৈরিতে জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দেয়া ছয় মার্কিন কংগ্রেসম্যানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
১৯৩ জন প্রবাসী বাংলাদেশির সাক্ষর করা এক বিবৃতিতে তারা জানান, বাইডেনের কাছে মার্কিন ৬ প্রতিনিধি বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন।
তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা অর্ধেক হওয়া ও খ্রিস্টান ধর্মবলম্বীদের ওপর নিপীড়নের বিষয়ে ওই চিঠিতে ভুল তথ্য দেয়া হয়েছে।
কংগ্রেসম্যানদের চিঠির বক্তব্য থেকে মিথ্যা এসব তথ্য প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।







