বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২০২ বাংলাদেশের আকাশে প্রবেশ করেছে।
আজ ২৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উড়োজাহাজটি দেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। ফ্লাইটটি বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
অবতরণের পর ভিআইপি লাউঞ্জ ‘রজনীগন্ধা’য় স্বল্প সময় অবস্থান করবেন তারেক রহমান। এরপর তিনি সড়কপথে কুড়িল হয়ে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত গণসংবর্ধনার মঞ্চে যাবেন। সেখানে সমবেত জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করার কথা রয়েছে।
এরপর ৩০০ ফিট এলাকা থেকে বসুন্ধরা জি ব্লকের গেট দিয়ে তিনি সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পাশে অবস্থান করবেন। সেখান থেকে তিনি গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবন ‘ফিরোজা’য় যাবেন।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। পাশাপাশি বিমানবন্দর এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সোয়াট টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এর আগে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। ফ্লাইট ছাড়ার আগে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বাসা থেকে বের হয়ে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান।
এই সফরে তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন মিডিয়া টিমের প্রধান আবু আবদুল্লাহ সালেহ, ব্যক্তিগত সহকারী রহমান সানি ও তাবাসসুম ফারহানা। পাঁচজনের টিকিটের মোট মূল্য ৯ হাজার ৮৫৬ ব্রিটিশ পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় কারামুক্ত হয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তারেক রহমান। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর তিনি দেশে ফিরছেন, যা বিএনপির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।







