বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাজশাহীর মানুষের সঙ্গে তার আত্মার সম্পর্ক রয়েছে, রাজশাহীতে উন্নয়ন ও গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনাই মূল লক্ষ্য। তিনি নির্বাচনী সভায় বিরোধীদের সরাসরি সমালোচনা না করে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বক্তব্য রাখেন। মেগাপ্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিলো দুর্নীতি ও রাজনৈতিক স্বার্থসাধন ছিল বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচনের প্রচারণায় রাজশাহী পৌঁছে তিনি বলেন, রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোতে পানি নেই, শিক্ষানগরী হলেও কর্মসংস্থান নেই। বরেন্দ্র প্রকল্পের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছিলো, কিন্তু পরবর্তীতে তা কার্যকরভাবে চালু করা হয়নি। তাই তিনি প্রকল্পটি পুনরায় চালু করতে চান। পদ্মাব্যারেজ নির্মাণে হাত দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
তারেক রহমান পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কৃষি ও আইটি খাতে কাজ করতে চান। দেশের কৃষিনির্ভর অঞ্চলে কৃষিনির্ভর শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়তে, হিমাগার ও ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট স্থাপন করে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে। নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য ফ্যাসিলিটি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। রাজশাহীতে বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে কৃষিঋণের সুদসহ দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হবে। মেগাপ্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিলো দুর্নীতি ও রাজনৈতিক স্বার্থসাধনের, কিন্তু জনগনের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ হয়নি। তাই পরিবর্তন আনার জন্য ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষকে জয়ী করতে হবে।
তারেক রহমান যোগ করেন, বিএনপি ঝগড়া-ফ্যাসাদে যেতে চায় না, শান্তি চাই। নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে, তাই সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সফল হলে ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে জনগনের জয়যাত্রা শুরু হবে।







