যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস দাবানলে জ্বলছে। টানা পাঁচ দিন ধরে দাবানলে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখনো ছয়টি দাবানল সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলগুলোর একটি গতকাল শনিবার দিক পরিবর্তন করেছে।
এতে নতুন করে ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে নতুন হুমকির মুখে পড়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। লস অ্যাঞ্জেলেসের পুনর্বাসন ও সহায়তার জন্য শতভাগ অর্থায়ন করবে মার্কিন সরকার।
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের দাবানল পাঁচদিনেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পুড়ে গেছে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার এলাকা। ধ্বংস হয়েছে প্রায় ১০ হাজার স্থাপনা। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে দাবানলে এপর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন সংস্থা একিউআই এর প্রাথমিক হিসাবে, দাবানলে দেড় শ’ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
শহরের পশ্চিমে জ্বলতে থাকা ‘প্যালেসেইডস’ নামের দাবানলটি নতুন দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়ার আগুন নেভাতে এগিয়ে এসেছে প্রতিবেশী সাতটি অঙ্গরাজ্য।
লস অ্যাঞ্জেলেস ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা এরিক স্কট স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল কেটিএলএকে বলেছেন, প্যালেসেইডস দাবানলটির পূর্বের অংশে আগুন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির পুলিশ কর্মকর্তা রবার্ট লুনা বলেছেন, আগুন থেকে বাঁচতে ১ লাখ ৫৩ হাজার মানুষকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮০০’ জনকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। জারি করা হয়েছে কারফিউ।
তবে দাবানলের পর আবার লস অ্যাঞ্জেলেস পুনর্গঠনের আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আগামী ছয় মাস লস অ্যাঞ্জেলেসের পুনর্বাসন ও সহায়তার জন্য শতভাগ অর্থায়ন করবে মার্কিন সরকার।








