চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে স্থানীয় সমস্যাগুলো যেভাবে প্রভাব ফেলে

তামীম সানিয়াত তন্ময়তামীম সানিয়াত তন্ময়
১১:০২ অপরাহ্ন ০৩, নভেম্বর ২০২৪
- সেমি লিড, আন্তর্জাতিক
A A

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে স্থানীয় সমস্যাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে, বিশেষত যখন বিভিন্ন রাজ্য বা স্থানীয় স্তরে সুনির্দিষ্ট ইস্যুগুলো জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করে। প্রতিটি রাজ্যের ভোটাররা তাদের জীবনযাপনের মান উন্নয়নে স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধান প্রত্যাশা করে এবং প্রার্থীরা এ ধরনের ইস্যুগুলোর সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করেন।

ন্যাশনাল সিভিক লিগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু রাজ্যে কর ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন বা পরিবেশের ওপর নিয়ন্ত্রণের মতো ইস্যুতে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতির ওপর ভিত্তি করে ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেয়। স্থানীয় স্তরে পুলিশিং এবং জনস্বাস্থ্যের মতো ইস্যুগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নিউইয়র্কভিত্তিক ম্যাগাজিন রিপোর্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় পর্যায়ের কিছু বিশেষ ইস্যু জাতীয় নির্বাচনের দিকে মনোযোগ আনতে সাহায্য করে। যেমন, কিছু রাজ্যে নির্বাচনের নিরাপত্তা ও সহিংসতা সংক্রান্ত ইস্যু দেখা যায়, যা ভোটারদের মনে শঙ্কা তৈরি করতে পারে এবং ভোটারদের অংশগ্রহণকে প্রভাবিত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে স্থানীয় ইস্যুগুলোর গুরুত্ব অনেক এবং এর মাধ্যমে জনজীবনের নানা দিক সরাসরি প্রভাবিত হয়।

উদাহরণস্বরূপ একাধিক রাজ্যে স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা এবং ওষুধের দাম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। আবার, জর্জিয়া এবং অ্যারিজোনায় কৃষি এবং পানি সংরক্ষণ সম্পর্কিত সমস্যা জনগণের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করেছে। আর পশ্চিম উপকূলীয় রাজ্যগুলোতে (যেমন ক্যালিফোর্নিয়া) পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় সরকারী সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত গ্রহণেও প্রভাব ফেলে। আবার নিউইয়র্কের মতো বড় শহরে পরিবহন ব্যবস্থা এবং বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিফলিত হয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলো স্থানীয় ইস্যুগুলোর ওপর মনোযোগ দিয়ে এবং সমর্থকদের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে, নিম্নবিত্ত বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রচার চালিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ভোটার সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।

স্থানীয় সমস্যাগুলোর গুরুত্বের কারণ

  • প্রত্যক্ষ প্রভাব: স্থানীয় সমস্যাগুলো, যেমন স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, এবং গৃহায়ণ, সরাসরি ভোটারদের জীবনকে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, গৃহায়ণ সংকট ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্কের মতো রাজ্যগুলোতে বড় সমস্যা। এসব রাজ্যের ভোটাররা স্থানীয় সমস্যা সমাধান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রার্থীদেরকে সমর্থন করে থাকে​।

  • স্থানীয় রাজনীতির মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব: স্থানীয় ইস্যুগুলো জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতে পারে। স্থানীয় সরকার, স্কুল ব্যবস্থা, ও ট্রান্সপোর্টেশন সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে ভোটাররা যখন সরাসরি স্থানীয় প্রশাসনের নীতি এবং সমাধান দেখতে পান, তখন তারা একই ইস্যুতে জাতীয় নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আগ্রহী হন।

  • নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে প্রভাবিত করা: স্থানীয় সমস্যাগুলো নির্দিষ্ট সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, গ্রামীণ অঞ্চলে কৃষি ও পানি সম্পদের সমস্যা কিংবা শহুরে এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার ইস্যু। এসব বিষয় ভোটারদের দৃষ্টিভঙ্গি গঠন করে এবং তারা সেই প্রার্থীকেই সমর্থন দেয়, যে তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ​।

  • ইস্যু ভিত্তিক ভোটারদের টার্গেট করা: প্রার্থীরা বিভিন্ন রাজ্যের স্থানীয় সমস্যার সমাধানে বিশেষ মনোযোগ দেন এবং ভোটারদের সমর্থন পেতে তাদেরকে বিশেষ বার্তা দেন। ট্রাম্প এবং হ্যারিস উভয়ই স্থানীয় সমস্যাগুলোর প্রতি তাদের অঙ্গীকার স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছেন, যাতে বিভিন্ন ধরনের ভোটারদের কাছে পৌঁছানো যায়।

কমলা হ্যারিস এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নির্বাচনে স্থানীয় সমস্যাগুলোর প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন, যা ভোটারদের মাঝে যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কমলা হ্যারিস 

Reneta

কমলা হ্যারিস বিভিন্ন ইস্যুতে সরাসরি সরকারি হস্তক্ষেপের ওপর জোর দিচ্ছেন। তিনি গৃহায়ণ, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে সমর্থন দিয়েছেন। তিনি সাশ্রয়ী মূল্যের বাড়ি নির্মাণে সরকারি অর্থায়ন বাড়ানোর এবং কৃষ্ণাঙ্গ পরিবারগুলোর প্রতি বৈষম্যমূলক আবাসন সমস্যা সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

হ্যারিসের প্রচারণার কেন্দ্রে নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তিনি জানান, তিনি মার্কিন শহরগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য স্থানীয় পুলিশ এবং সমাজের নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবেন। তার মতে, সহিংসতা এবং অপরাধ কমাতে সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদারদেরও নিয়োগ করা প্রয়োজন।

সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে তিনি বর্তমান সরকারের মতোই সংরক্ষণের পক্ষে এবং প্রবীণদের জন্য সুবিধা বাড়ানোর কথা বলেছেন। তার পরিকল্পনার মধ্যে ধনীদের ওপর কর বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের জন্য সেবা সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে, যা শহুরে ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে​। তিনি বন্দুক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নীতিগত পরিবর্তন আনার পক্ষে মনোযোগ দিয়েছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প

পিইডব্লিউ রিসার্চ সেন্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য তার প্রচারাভিযানে স্থানীয় সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছেন, বিশেষ করে অভিবাসন এবং অর্থনীতি সংক্রান্ত ইস্যুগুলোর প্রতি। তিনি অভিবাসনকে একটি প্রধান সমস্যার রূপে তুলে ধরছেন, যা রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছে। একটি জরিপে দেখা গেছে যে, ৮২% ট্রাম্প সমর্থক বলেছেন যে অভিবাসন তাদের ভোটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসীদের উপর কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার এবং দেশের অভ্যন্তরে অপরাধ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন​।

অর্থনীতির ক্ষেত্রেও ট্রাম্প বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বলছেন। তিনি বিদেশী পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন, বিশেষ করে চীনের পণ্যের জন্য। এটি আমেরিকান পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে তার প্রাথমিক প্রচেষ্টার অংশ। তিনি মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত এবং ব্যবসায়ী শ্রেণীর জন্য ট্যাক্স কাটছাটেরও কথা বলছেন​।

এছাড়া, ট্রাম্প স্থানীয়ভাবে আরও কিছু বিশেষ ইস্যুতে মনোযোগ দিয়েছেন, যেমন আফ্রিকান আমেরিকান সম্প্রদায়ের প্রতি মনোযোগ এবং অপরাধমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে লড়াই। এসব বিষয় স্থানীয় ভোটারদের কাছে গভীরভাবে প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা রাখে, যা জাতীয় নির্বাচনে তার প্রচারণার সফলতা নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে​।

প্রার্থীরা যখন স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন, তখন তারা ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পান এবং এটি তাদের জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করে। আগামী ৫ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ভোট দিবেন ভোটাররা। ফলাফল প্রকাশের পরই জানা যাবে, স্থানীয় সমস্যাগুলো নিয়ে কার প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রাখছেন দেশটির জনগণ।

ট্যাগ: নির্বাচনযুক্তরাষ্ট্রযুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন ২০২৪যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২৪
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

এক সপ্তাহের জন্য ইউক্রেনে ‘আংশিক যুদ্ধবিরতিতে’’ রাশিয়া

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬

পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল আচরণের তাগিদ দিলেন তথ্য উপদেষ্টা

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

আ’লীগ থাকলে জামায়াত থাকবে, জামায়াত থাকলে আ’লীগ থাকবে: মাহফুজ আলম

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

ছাদখোলা বাস, সংবর্ধনা এবং আরও সাফল্য তৃষ্ণায় শেষ ঘরে ফেরার আয়োজন

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬

নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে: রাজশাহী ও নওগাঁয় তারেক রহমান

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT