নোয়াখালীর মাইজদীতে সিজার অপারেশনের সময় ভুল চিকিৎসার ফলে মা ও নবজাতক সন্তানের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়ে নিহতের স্বজনরা।
শনিবার (৪ মে) বিকেলের দিকে মাসহ নবজাতকের এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিহত সীমা আক্তার বেগমগঞ্জের কাদিরপুর ইউনিয়নের লন্ডন মার্কেট এলাকার জহির উদ্দিনের স্ত্রী ও নোয়াখালী পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ইউসুফ সওদাগর বাড়ির মো. হারুনের মেয়ে।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার দুপুর ২ টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর হাউজিং রোডের মাইজদী আধুনিক হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার এ অভিযোগ উঠে। পরে শনিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে এ ঘটনায় হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছে নিহতের স্বজনরা।
নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন: শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে সীমাকে মাইজদী আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় দুপুর ২টার দিকে চিকিৎসক আশিকা কবির তাকে সিজার করেন। সিজারের সময় তার ভুল অপারেশনে জরায়ুর রক্তনালী কেটে যায়। এতে তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। কিন্ত ডাক্তার তাৎক্ষণিক বিষয়টি গোপন রাখে। পরে একইদিন রাত সাড়ে ৯ টার দিকে রোগীর অবস্থা বেগতিক দেখে রোগীকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছলে মা ও চট্রগ্রামে রেফার্ড করা একটি হসপিটালে নবজাতককে মৃত বলে ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী মাইজদী আধুনিক হাসপাতালে ভাঙচুর চালায়।
নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার বলেন, অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: নুসরাত নাঈম জাবিনকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত করে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







