গোপালগঞ্জে ৭০ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা বাদশা গাজীকে বটি দিয়ে কুপিয়ে গলা কেটে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করেছে তার সৌদি ফেরত জামাতা মুরাদ।
আজ (৬ এপ্রিল) শনিবার দুপুরের দিকে গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. আনিচুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয় জনতা জামাই মুরাদ আলীকে (৪০) ধরে পুলিশে দিয়েছে। মুরাদ নড়াইল সদর উপজেলার মাইছকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।
তিনি জানান, শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাদশা গাজী নিজের ঘরে খাটে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ করে জামাই মুরাদ ঘরের ভিতরে ঢুকে ঘুমন্ত শ্বশুরকে বটি দিয়ে উপুর্যুপরি কুপিয়ে দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করেন।
নিহত বাদশার মেয়ে ও ঘাতক মুরাদের স্ত্রী তানিয়া বেগম গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ধলইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। স্ত্রীর চাকরির সুবাদে মুরাদ শ্বশুর বাড়িতেই বসবাস করেন। তাদের সংসারে ৩টি ছেলে মেয়েও রয়েছে।
জানা যায়, বাড়ীর লোকজনের চিৎকারে এলাকাবাসী মুরাদকে ধরে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুরাদকে গ্রেপ্তার করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গোপালগঞ্জ জেনালের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি।
এলাকাবাসী জানান, ফ্রিল্যান্সিং আয়ের উদ্দেশ্যে তানিয়া স্বামীর দেওয়া টাকাসহ ১৩ লাখ টাকা গ্রামের একজন যুবকের কাছে দেন। দীর্ঘদিন কোন আয় না হওয়ায় বা টাকা ফেরত না পাওয়ায় তাদের পরিবারে কলহ লেগে থাকত।
তানিয়া বেগম জানান, মুরাদ অতিসম্প্রতি সকলের সাথে অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। তিনি সৌদির চাকরি শেষে বছরখানেক আগে দেশে এসেছেন।







