আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নতুন নিরাপদ ও বৈধ প্রবেশপথ চালু করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য সরকার। চলতি বছরের শেষ দিকে চালু হতে যাওয়া এই ব্যবস্থার আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়, কমিউনিটি সংগঠন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান শরণার্থীদের স্পনসর করে যুক্তরাজ্যে আনার সুযোগ পাবে।
আজ (২৭ জুন) শনিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (হোম অফিস) নতুন এ উদ্যোগটি কানাডার শরণার্থী পুনর্বাসন মডেলের আদলে তৈরি করা হয়েছে বলে জানায়। তবে কতজন আশ্রয়প্রার্থীকে এই কর্মসূচির আওতায় নেওয়া হবে, তা নির্দিষ্ট করা হয়নি। সরকার বলেছে, শুরুতে সীমিত সংখ্যক আবেদনকারীকে সুযোগ দেওয়া হবে এবং পুরো প্রক্রিয়া কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে।
হোম অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাজ্যের শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে সীমিত সংখ্যক মানুষ কমিউনিটি স্পনসরশিপ পান। নতুন ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হলে এটি বর্তমান কর্মসূচির তুলনায় অনেক বড় পরিসরে পরিচালিত হবে। আগামী বছর শরণার্থীদের জন্য একটি পৃথক কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসা চালু করা হবে, যাতে নিয়োগকর্তারা সরাসরি শরণার্থীদের স্পনসর করতে পারবেন।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক স্পনসরশিপের আবেদন চলতি বছরের শেষ দিকে শুরু হবে এবং এই ব্যবস্থার আওতায় প্রথম শরণার্থীরা ২০২৭ সালে যুক্তরাজ্যে পৌঁছাবেন। একই সঙ্গে আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়ায় মানবাধিকার ও আধুনিক দাসত্ববিরোধী আইনের প্রয়োগে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনাও এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। সরকারের দাবি, এতে ভিত্তিহীন বা অপব্যবহারমূলক আশ্রয় আবেদন কমবে।
হোম সেক্রেটারি শাবানা মাহমুদ বলেন, যুক্তরাজ্য সবসময় যুদ্ধ ও নির্যাতন থেকে পালিয়ে আসা প্রকৃত শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে। তবে এই ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে হলে জনগণের আস্থা নিশ্চিত করতে হবে এবং সেটি হতে হবে ন্যায্য, নিয়ন্ত্রিত ও অপব্যবহারমুক্ত।







