রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য আবারো ঋণ নিতে হচ্ছে সরকারকে। একনেক বৈঠকে অনুমোদিত ৮ হাজার কোটি টাকার ২টি উন্নয়ন প্রকল্পে, ঋণ সাড়ে ৪ হাজার কোটি আর অনুদান ৩ হাজার ২শ’ কোটি টাকা। ঋণের টাকায় বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য আর কোন প্রকল্প নয়, এই ঘোষণাতে অটল থাকতে পারেনি সরকার। পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, মানবিক কারনে রোহিঙ্গাদের নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া যাচ্ছে না।
কক্সবাজারসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আশ্রয় মিলেছে। কমপক্ষে ১০ লাখ মানুষের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে গিয়ে উজাড় হয়েছে এলাকার প্রাণ-প্রকৃতি। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ওই জনপদের অবকাঠামো উন্নয়নে এগিয়ে এসেছে বিশ্বব্যাংক।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এনইসি মিলনায়তনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে ৪ হাজার ৮১ কোটি টাকায় রোহিঙ্গাদের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।
এসব নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আব্দুস সালাম এবং পরিকল্পনা সচিব সত্যজিত কর্মকার।
প্রকল্পটি সম্পূর্ণ অনুদানের অর্থে হওয়ার কথা বলা হলেও এতে ঋণই বেশি। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে স্থানীয় জনসাধারণ যেসব অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন তার সমাধানে আরো ৪ হাজার ৪শ’ কোটি টাকার প্রকল্পেও অনুদানের চেয়ে ঋণ বেশি।
আগামী অর্থবছরের জন্য অনুমোদিত এডিপি শতভাগ ঋণনির্ভর, এমন সমালোচনাও উড়িয়ে দেন মন্ত্রী এবং সচিব।
প্রকল্প ২টির বিস্তারিত প্রোজেক্ট প্রোসেসিং সিস্টেম পিপিএস সফটওয়্যার এর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয় একনেকে। সফটওয়্যারটি নির্মাণ করেছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান আইবিসিএস-প্রাইম্যাক্স লি.।








