ফ্রান্সে পুলিশের গুলিতে নিহত ১৭ বছর বয়সী কিশোর নাহেলের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে তার এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশটিতে ষষ্ঠ দিনের মতো চলছে বিক্ষোভ।
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ফ্রান্সের নান্টেরে নিহত নাহেলকে গুলি করার স্থানে তার বন্ধুবান্ধব এবং পরিবাররের সদস্যরা নাহেলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার শেষ প্রার্থনায় যোগ দেয়। তবে ফ্রান্সে থামেনি জনতার বিক্ষোভ, ন্যায় বিচার না পাওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে চায় তারা।
শেষকৃত্যের সময় স্থানীয় মসজিদের বাইরে একটি বিশাল জনতা জড়ো হয়ে কফিনটিকে কবরস্থান পর্যন্ত অনুসরণ করে। এসময় অনেকেই নাহেলের ন্যায়বিচারের জন্য স্লোগান দিতে থাকে। স্বজনদের আইনজীবী সাংবাদিকদের অনুষ্ঠানটি থেকে দূরে থাকার অনুরোধ করেন। গত ২৭শে জুন ট্রাফিক আইন ভাঙার অভিযোগে নাহেল মারজাউক নামে ১৭ বছরের কিশোরকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ।
বিক্ষোভের ষষ্ঠ দিনে আরও ৫০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ নিয়ে দুই হাজারেরও বেশি আন্দোলনকারীকে আটক করা হলো। নিহত নাহেলের পরিবার আন্দোলনকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। এর আগে, আন্দোলনকারীরা রাজধানী প্যারিসের মেয়রের বাড়িতে ভাঙচুর করে ও আগুন দেয়।
নাহেলকে হত্যার অভিযোগে একজন ৩৮ বছর বয়সী পুলিশ অফিসারকে তদন্তের অধীনে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, তার কেন্দ্রবাদী সরকারের কর্তৃত্বের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। বুধবার প্যারিসে এলটন জনের কনসার্টে যোগ দেওয়ার কারণে সমালোচনার মুখোমুখি হওয়ার পর গতকাল রবিবার জার্মানিতে পরিকল্পিত দুই দিনের সফর বাতিল করেছেন তিনি।







