সোমবার জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন

ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামীকাল সোমবার ৯ নভেম্বর বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা পূরণে আহ্বান করা এই অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হতে পারে। এতে পাঁচ থেকে ছয়টি বিল উত্থাপন ও সেগুলোর ওপর আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, এবারের অধিবেশনের মেয়াদ সংক্ষিপ্ত হবে। অধিবেশনে পাঁচ থেকে ছয়টি বিল আসতে পারে। এসব বিলের ওপর আলোচনা ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন বসতে হয়। সেই বাধ্যবাধকতা পূরণেই ৯ নভেম্বর শুরু হচ্ছে চতুর্থ অধিবেশন। এটি আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত চলতে পারে।
আগামী জানুয়ারিতে নতুন অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা থাকায় এবারের অধিবেশনের কার্যক্রম সংক্ষিপ্ত রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সাধারণত প্রতি বছরের জানুয়ারিতে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে। সে অনুযায়ী, ২০২৭ সালের প্রথম অধিবেশন আগামী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে শুরু হতে পারে।
এদিকে, চতুর্থ অধিবেশনের প্রথম দিনই জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ, কার্যদিবস ও কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবারের অধিবেশনে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নোত্তর, জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ এবং সাধারণ আলোচনার বিষয়গুলো থাকবে। এ ছাড়া পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির বাইরে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে চলমান কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলে তা বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করা হবে।
তবে আলোচনায় থাকা সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব এবারের অধিবেশনে উত্থাপিত হচ্ছে না। সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব তৈরির কাজ করছে। আগামী জানুয়ারিতে সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে প্রস্তাবটি উপস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।






