বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন: ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিস্ফোরণ হয়েছে। যাদের জন্য মারা যাচ্ছে তাদের বিচার করতে হবে। সরকারের ব্যর্থতা, বিভাগগুলোর ব্যর্থতায় এ প্রাণহানি হয়েছে।
সিলেট মহানগর বিএনপির কাউন্সিল ও সম্মেলনে নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠে শুক্রবার ১০ মার্চ সকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে আজ ভয়াবহ নির্যাতন নিপীড়ন চলছে। আজকে কোথাও কোনো আইনের শাসন নেই। আমাদের আন্দোলন শুরু হয়েছে। গত আগস্ট থেকে ১৭ জন নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন। প্রায় সকল নেতাকর্মীকে মামলার আসামি করা হয়েছে। সরকারের একটাও ভালো কাজ নেই। তারা সমাজকে দূষিত করে ফেলেছে। তারা সংবিধানকে বার বার কাটা ছেঁড়া করে অকার্যকর সংবিধানে পরিণত করেছে। বাহাত্তরের সংবিধানের মুল ভিত্তি নষ্ট করেছে।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির হয়েছে। দিনের বেলায় চড়থাপ্পড় দিয়ে ১১ কোটি টাকা লুট হয়েছে, আবার উদ্ধারও হয়েছে। বিদ্যুৎ সেক্টরে লুট হচ্ছে। আদানির সাথে চুক্তিতে দেড়লক্ষ কোটি টাকা লোকসান হবে। চুক্তির ফলে বিদ্যুৎতের দাম দ্বিগুণ হবে। বেশি দামে কয়লা কিনতে হবে।
এর আগে জাতীয় পতাকা, দলীয় পতাকা এবং পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশে দুটি ধারা চলমান। একটি লুটপাটের ধারা, অন্যটি বিএনপির তৃণমূলের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ধারা।
সিলেট মহানগর বিএনপির আহবায়ক আবদুল কাইয়ুম জালালী পংকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, এনামুল হক চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী।
বিকেলে কাউন্সিল ও গোপন ভোটের মাধ্যমে সিলেট জেলা বিএনপির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন ১ হাজার ৯১৭ জন কাউন্সিলর ও ডেলিগেট।








