বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিনকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হচ্ছে এক বিশেষ উৎসব— ‘হুমায়ূন উৎসব’। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে লেখকের জন্মদিনে (১৩ নভেম্বর)।
এর আগে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, “সেলিব্রেটিং বাংলাদেশি লেজেন্ডস” সিরিজের পরবর্তী পর্বে উদযাপিত হবেন হুমায়ূন আহমেদ। এবার সেই আয়োজনে যোগ হলো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা— হুমায়ূনপ্রেমীদের অংশগ্রহণে রঙিন হয়ে উঠবে এবারের উৎসব।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে হুমায়ূন ভক্তদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়,“কেন আপনি মনে করেন, আপনি বাংলাদেশের লিজেন্ডারি কালচারাল আইকন হুমায়ূন আহমেদের শীর্ষ ভক্তদের একজন? দুই পৃষ্ঠায় বা ৫০০ শব্দে লিখে ফেলুন আপনার হুমায়ূন অনুভূতি।”
সেখানে আরও বলা হয়েছে, আপনার অনুভূতি যদি হয় সেরা অনুভূতিগুলোর একটি, তাহলে আগামী ১৩ নভেম্বর প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার, চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের ৭৭ তম জন্মদিনে বিশ্বের সব হুমায়ূনপ্রেমীদের জন্য সেই অনুভূতি প্রকাশ করা হবে বর্ণিল উৎসবে।
ভক্তদের অনুরোধ জানিয়ে একাডেমির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,“দেশের নানান প্রান্তে যারা হুমায়ূন আহমেদের ভক্ত আছেন, তারা প্রিয় লেখক কিংবা তাঁর সৃষ্ট চরিত্র নিয়ে নিজেদের অনুভূতিগুলো লিখে পাঠাতে পারেন। নির্বাচিত লেখাগুলো হবে উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ।”
লেখা পাঠাতে হবে ইমেইলে ([email protected]), আর পাঠানোর শেষ তারিখ ৭ নভেম্বর।
এই আয়োজনে গান, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও মুক্ত আলোচনা ছাড়াও থাকবে হুমায়ূন আহমেদ–কেন্দ্রিক নানা শিল্পকর্ম প্রদর্শনী।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা আগেই বলেছেন বলেছেন, “হুমায়ূন আহমেদ— স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে সবচেয়ে প্রভাবশালী কালচারাল আইকন। আমরা তাঁর জীবন ও সৃষ্টিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপন করতে চাই।”








