নিখোঁজের সাত দিন পর সিলেটের কানাইঘাটে নিখোঁজ শিশু মুনতাহা আক্তার জেরিনের (৫) মরদেহ পাওয়া গেছে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে। শিশুটির গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় ছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
এ ঘটনায় আলিভজান বেগম নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। তিনি ছয় বছর বয়সী মুনতাহাকে অপহরণ করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আজ রোববার ভোররাত চারটার দিকে মুনতাহার নিজ বাড়ির পুকুরে তার নিথর দেহের সন্ধান পাওয়া যায়।
মুনতাহা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বীরদলের ভাড়ারিফৌদ গ্রামের শামীম আহমদের মেয়ে।
জানা যায়, খবর পেয়ে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আওয়ালের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আওয়াল জানান, মুনতাহার বাড়ির পাশেই বসবাস করতো ওই নারী। সে মুনতাহাকে অপহরণ করে। ওই নারী পেশায় একজন ভিক্ষুক। অপহরণের পর একটি ড্রেনে ফেলে রাখা হয় মুনতাহাকে।
ওসি বলেন, আজ রোববার ভোরে ড্রেন থেকে তুলে শিশুটিকে মাটিচাপা দেওয়া সময় ঘাতক নারীকে আটক করে এলাকাবাসী। তবে কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।
শিশুটির নিখোঁজের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। ভাইরাল হয় খবরটি। তার সন্ধানে চেয়ে পোস্ট দিতে থাকেন অনেকে।
এরআগে মুনতাহার পরিবার দাবি করে, তাকে পরিকল্পিতভাবে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কানাইঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করা হয়েছিলো। ‘অপহরণকারীকে’ ধরিয়ে দিতে এক লাখ টাকা পুরুস্কারও ঘোষণা করেছিল পরিবার।
গত ৩ নভেম্বর সকালে বাবার সঙ্গে স্থানীয় একটি ওয়াজ মাহফিল থেকে বাড়ি ফিরে। পরে প্রতিদিনের মতো আশপাশের বাড়িতে শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করতে যায়। কিন্তু বিকেলে হলে বাড়ি না ফিরলে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। তারপর তাকে আর কোথাও পাওয়া যায়নি।








