ইতিহাস গড়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া থালাপতি বিজয়। তাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার পুরনো নানা বক্তব্য ও সাক্ষাৎকার।
এরমধ্যে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে একটি পুরনো সাক্ষাৎকার, যেখানে বিজয় তার বাবা-মায়ের প্রেম, বিয়ে এবং ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছিলেন।
ভাইরাল হওয়া সেই সাক্ষাৎকারটি ছিল ‘বিস্ট’ সিনেমার প্রচারণাকালীন, নির্মাতা নেলসন দিলীপকুমারের সঙ্গে এক আলাপচারিতায়। সেখানে বিজয় জানান, তার মা শোভা চন্দ্রশেখর হিন্দু এবং বাবা এস.এ চন্দ্রশেখর খ্রিস্টান। ধর্মের ভিন্নতা তাদের ভালোবাসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
বিজয় বলেন, “আমার বাবা-মা কখনোই আমার ওপর ধর্ম নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে দেননি। কোথায় যেতে হবে বা কী মানতে হবে, সেটা নিয়ে কোনো সীমাবদ্ধতা ছিল না। আমি পুরো স্বাধীনতা নিয়ে বড় হয়েছি।”
তিনি আরও জানান, নিজের সন্তানদের ক্ষেত্রেও একই মূল্যবোধ অনুসরণ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে বিজয়ের ধর্মীয় সহনশীলতা ও আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গির কথাও উঠে আসে। নির্মাতা নেলসন একটি ঘটনার কথা স্মরণ করে জানান, ‘বিস্ট’-এর শুটিং চলাকালে এক রাতে হঠাৎ করেই সবাইকে না জানিয়ে কোথাও চলে যান বিজয়। পরে ফিরে এসে অভিনেতা জানান, পুরো টিমের জন্য প্রার্থনা করতে তিনি একটি গির্জায় গিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে বিজয় বলেন, “গির্জায় গেলে আমি শান্তি পাই। আমি মন্দিরেও গেছি, দরগাতেও গেছি। সব জায়গাতেই একই ইতিবাচক শক্তি অনুভব করি।”
তিনি আরও জানান, ‘কাথ্থি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় ভারতের বিখ্যাত পিল্লায়ারপতি টেম্পল, তিরুনালার টেম্পল এবং আমীনপীরের দরগাতে গিয়েছিলেন তিনি।
বিজয়ের এই পুরনো বক্তব্য নতুন করে ভাইরাল হওয়ার পর ভক্তরা তার ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক মানসিকতা’ ও ‘মানবিক মূল্যবোধ’-এর প্রশংসা করছেন। অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক সাফল্যের পর এসব বক্তব্যই তার ব্যক্তিত্বের আরেকটি ইতিবাচক দিক সামনে এনে দিয়েছে।
অন্যদিকে বিজয়ের শেষ সিনেমা হিসেবে আলোচনায় থাকা ‘জন নয়াগণ’র মুক্তিও পিছিয়ে গেছে। সেন্সর জটিলতার কারণে সিনেমাটির মুক্তি বিলম্বিত হয়েছে বলে জানা গেছে। এইচ বিনোথ পরিচালিত এই ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন ববি দেওল, পূজা হেগড়ে প্রমুখ। টাইমস অব ইন্ডিয়া








