বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি। এছাড়া ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমারসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার।
আজ ১৪ আগস্ট বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এছাড়া কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদ-নদীর পানি বেড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বাসসকে জানান, ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।
কুড়িগ্রামে পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদের পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দুধকুমারের পানিতে নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলার নদী তীরবর্তী ১৮টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ডুবে গেছে রোপা আমন, আমন বীজতলা, পাট ও বিভিন্ন মৌসুমী ফসল।
লালমনিরহাটে ৪ উপজেলায় ৯ ইউনিয়নের ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতির মুখে পড়েছে রোপা আমন ও সবজি ফসল। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ গবাদিপশু ও আসবাবপত্র রক্ষায় চরম বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ।







