এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
বড়পর্দায় ঝড় তুলছে রায়হান রাফী পরিচালিত বহুল আলোচিত ছবি ‘তুফান’! ছবিটি নিয়ে চারদিকে রীতিমত শোরগোল পড়ে গেছে। অগ্রিম টিকেট নিয়েও দর্শকের মধ্যে হাহাকার! যারাই সিনেমাটি দেখছেন, মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন।
ছবিটি দেখে নিজের মুগ্ধতার কথা দীর্ঘ পোস্টে জানিয়েছেন ‘কুঁড়েঘর’ ব্যান্ডদলের ভোকাল ও ইনফ্লুয়েন্সার তাসরিফ খান। ‘তুফান’ দেখে এই তরুণ বললেন, ‘বাংলা সিনেমার নতুন যুগ শুরু হলো।’
ছবিটি দেখার অভিজ্ঞতা জানিয়ে তাসরিফ এদিন লেখেন, “ডেডিকেশান নিয়ে রাত ১২টার পর টিকেট কেটে ফাইনালি তুফান দেখলাম। সেলুট টু রায়হান রাফী ভাই। কী দুর্দান্ত মেকিং! টু বি ভেরি অনেস্ট আমাদের মুভি ইন্ডাস্ট্রির ফ্রন্টম্যান শাকিব খান ভাইয়ের এরকম একটা চমৎকার ট্রান্সফরমেশান দেখবো তা কখনও চিন্তাও করিনি। আমার মনে হয় এই সিনেমার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দুইটা আলাদা ক্যাটাগরির অডিয়ান্সকে একসাথে ভালো লাগানো যা করতে রাফী ভাই তার সর্বোচ্চ এফোর্ট দিয়েছেন এটা একদম ভিজিবল।”
ছবির গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলো নিয়েও কথা বলেন তাসরিফ। তিনি বলেন, “ওভারঅল স্টোরি ভালো লেগেছে। ক্যামেরার কাজ, লাইটের কাজ, ফ্রেমিং, কালার সবকিছুই টপ নচ ছিল। বিশেষ করে ব্যাকগ্রাউন্ডের সাউন্ডের কাজ এত বেশি ভালো হয়েছে যে প্রত্যেকটা দৃশ্য খুবই উপভোগ্য করে তুলেছে।”
অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে এই তারকা লিখেন,“দ্য গ্রেট চঞ্চল চৌধুরী ভাইকে নিয়ে তো আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। উনি বরাবরই সেরাদের সেরা। আমার জীবনে প্রথম হলে গিয়ে দেখা প্রথম সিনেমাই ছিল চঞ্চল ভাইয়ের ‘মনপুরা’। ওভারঅল মিশা সওদাগর, শহীদুজ্জামান সেলিম, ফজলুর রহমান বাবু, গাজী রাকায়েতসহ সবার অভিনয়ই ছিল মুগ্ধ হয়ে গেলার মতো। নায়িকাদের মাঝে আমি এমনিতেই নাবিলা আপুর ভক্ত, উনার স্বাবলীল অভিনয়ের জন্য। শুধু উনার অভিনয়ই না, উপস্থাপিকা হিসেবেও আপুর কাজ আমার খুবই ভালোলাগে।”
‘তুফান’ এর সংগীত বিভাগ নিয়ে সরব ‘কুঁড়েঘর’ ব্যান্ডের এই ভোকাল। লিখেন,“এই মুভির আরেকটা বড় শক্তি ছিল গানগুলো। প্রীতম ভাই আপনি বেশি জোশ। কনা আপু আপনি কতো মিষ্টি করে গাইলেন। হাবিব ভাই আপনি বসম্যান।”
‘তুফান’কে পয়সা উসুল সিনেমা উল্লেখ করে তাসরিফ এদিন সবার উদ্দেশে বলেন,“যারা এখনো সিনেমাটা দেখেন নাই, আপনারা সিনেমা হলে গিয়ে দেখে আসতে পারেন। যারা বেছে বেছে সিনেমা দেখেন তারাও দেখতে পারেন এই সিনেমাটা। ভালো লাগবে। আমার কাছে পয়সা উসুল মনে হয়েছে। এটা ভেবে আনন্দ লাগছে যে বাংলা সিনেমার নতুন যুগ শুরু হলো।”








