ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগে (ডিপিএল) বল হাতে বিরল রেকর্ড গড়েছেন তাসকিন আহমেদ। রান খরচায় সেঞ্চুরি করেছেন টাইগার পেসার। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ৩ উইকেট শিকারের পথে ১০৭ রান দিয়েছেন মোহামেডান পেসার। তাসকিনের খরুচে বোলিংয়ের দিনে সেঞ্চুরি করেছেন এনামুল হক বিজয়। তাতে মোহামেডানকে হারিয়েছে গাজী গ্রুপ। দিনের অন্য ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে জয় পেয়েছে আবাহনী। আরেক ধানমণ্ডি স্পোর্টস ক্লাবকে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক।
তাসকিন আহমেদ ১০ ওভারে ১০৭ রান খরচ করেন। যা লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো বোলারের ব্যয়বহুল বোলিংয়ের রেকর্ড। আগের রেকর্ডটি ছিল ১০৪ রান। ২০১০ সালে বেনোনিতে সাউথ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ১০৪ রান দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের পেসার শাহাদাত হোসেন। এছাড়া গত বছর ডিপিএলে আবাহনীর বিপক্ষে ৯ ওভারে ১০৪ রান দেন গাজী টায়ার্স ক্রিকেট একাডেমির পেসার ইকবাল হোসেন।
বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। আগে ব্যাটে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৩৩৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় গাজী গ্রুপ। ১৪৩ বলে ১৪৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন এনামুল হক বিজয়। এ ছাড়া ওপেনার সাদিকুর সংগ্রহ করেছেন ৬০ রান। শেষ দিকে তোফায়েল আহমেদের ২৯ বলে ৬৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোহামেডান থামে ২৭১ রানে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ রান এসেছে ওপেনার রনি তালুকদারের ব্যাট থেকে। তামিম ইকবাল ৩৪ বল খেলে করেন ৪৮ রান।
বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে ৪ উইকেটে জিতেছে আবাহনী লিমিটেড। আগে ব্যাটে নেমে ২৯২ রান তোলে রূপগঞ্জ। সাইফ হাসান ৬৭ এবং মাহমুদুল হাসান জয় জয়ের ৫৮ রান করেন। বড় রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শান্তর সেঞ্চুরিতে জয় তুলে নিয়েছে আবাহনী। শান্ত ১০১ রান করেন। এছাড়া জিসান আলম করেন ৪৩ রান।
মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে দিনের অন্য ম্যাচে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবকে ৫৫ রানে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। আগে ব্যাটে নেমে প্রাইম ব্যাংক ৫ উইকেটে ৩০৮ রান করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন জাকির হাসান। শামীম পাটোয়ারী ৬২, ইরফান শুক্কুর ৫৬ রান করেন। জবাবে নেমে ২৫৩ রানেই গুটিয়ে যায় ধানমন্ডির ইনিংস। ফজলে মাহমুদ রাব্বির ৭৯ রান এবং ইয়াসির আলি রাব্বি ৪৬ রান করেন।








