জানাজায় খালেদা জিয়ার পক্ষে মাফ চেয়েছেন তার সন্তান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর আগে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান। তিনি খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক যাত্রা নিয়ে কথা বলেন।
আজ ৩১ ডিসেম্বর বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় তার পক্ষে সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে অনিচ্ছাকৃত কোনো ভুল বা কষ্টের জন্য তার পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া হয় এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
জানাজায় অংশ নিতে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে সংসদ ভবন এলাকায় পৌঁছান। এ ছাড়া প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা জানাজায় অংশ নেন।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, জানাজার সময় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার পরিবর্তে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী কফিন রাখা হয়। জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে জানাজায় অংশ নিতে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের এলাকায় তীব্র ভিড়ের সৃষ্টি হয়। জায়গা না পেয়ে ইন্দিরা রোড, খামারবাড়ি মোড়সহ আশপাশের ভবন, গলি ও সড়কে ছড়িয়ে পড়ে মানুষ। অনেকেই খালি জায়গা ও ভবনের গ্যারেজে দাঁড়িয়ে জানাজায় শরিক হন।
উল্লেখ্য, টানা ৪০ দিন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় বেগম খালেদা জিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।








