শনিবার বাফুফের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থীতা না করার ঘোষণা দিয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সভাপতি পদে নির্বাচন করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন ফুটবল সংগঠক তরফদার রুহুল আমিন।
রোববার বিকেলে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে এক অনুষ্ঠানে বাফুফে নির্বাচনে সভাপতি পদে রুহুল আমিনের প্রার্থীতার বিষয়টি সামনে আনা হয়।
অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপন নাম ঘোষণা করে বলেছেন, ‘জেলা ও ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে তরফদার রুহুল আমিনকে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হচ্ছে। ফুটবল ফেডারেশন জেলা পর্যায়ে লিগ পরিচালনা করতে সহায়তা করেনি। ওনার সহায়তায় জেলায় লিগ হয়েছে।’
একই মঞ্চ থেকে তরফদার রুহুল আমিন আসন্ন নির্বাচনের প্রার্থীতা গ্রহণ করার কথা জানান। বলেন, ‘আমি এই ঘোষণা সাদরে গ্রহণ করলাম।’
দেশে ফুটবল উন্মাদনা হারিয়ে গেছে জানিয়ে রুহুল আমিন বলেন, ‘দেশে ফুটবল উন্মাদনা নেই। ফুটবলের আবেগ হারিয়েছে ২০০৮ থেকে। ফুটবল এমন জায়গায় চলে গেছে, সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন। ফুটবল কাঠামো নেই। ফুটবল এখন টেবিলে নিয়ে এসেছি।’
‘ফুটবল নিয়ে আমরা ব্যাপক কাজ করেছি ২০১৫-১৬ সাল থেকে। সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যানারে আমরা জেলা লিগ করেছি। আমরা প্রচুর খেলোয়াড় সরবরাহ করেছি প্রতিকূলতার মধ্যেও। কিন্তু ফুটবল ফেডারেশন কখনো চায়নি আমরা ফুটবল নিয়ে কাজ করি। ফুটবল যেভাবে এগোচ্ছে, সেটা ঠিক নেই। ফুটবলকে নিয়ে আমরা তামাশা করেছি। বাঙালির আবেগ নিয়ে খেলা হয়েছে। জঘন্য হয়েছে কাজটা।’
বাফুফের গত নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন রুহুল আমিন। শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হননি। সেটির ব্যাখ্যা করেছেন। বলেছেন, ‘২০২০ সালে যখন প্যানেল করে এগোতে গেলাম, তারা আমাকে নিয়ে চক্রান্ত করলেন। আমার ব্যবসার ক্ষতি হল। দেশেও থাকতে পারিনি। সাইফ পাওয়ারটেকের ক্ষতি হয়েছে। সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে তারকা ফুটবলার শফিকুল ইসলাম মানিক, সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক ও জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন ক্লাবের কর্মকর্তা, সাবেক খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন।
২০১৫ সালে চট্টগ্রাম ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ফুটবল অঙ্গনে পথচলা শুরু তরফদার রুহুল আমিনের। ২০১৬-২০২২ পর্যন্ত ফুটবলে অনেক অর্থের বিনিয়োগ করেছেন। সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছেন।








