বিসিবির সবশেষ নির্বাচন ঘিরে ছিল অনিয়মের হিড়িক। যার জেরে নির্বাচনের আগেই সরে দাঁড়ান তামিম ইকবালসহ আরও অনেকে। এমনকি জাতীয় নির্বাচনের পর বোর্ডও টিকেনি। অনিয়মের অভিযোগে ভেঙে দেয়া হয়েছে। তামিমের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটি আয়োজন করেছে নতুন নির্বাচনের। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক নিজেও পরিচালক পদপ্রার্থী তাতে। বোর্ডের দায়িত্বে থাকলেও জানালেন, আসন্ন নির্বাচনে কোন প্যানেল ও তদবির থাকছে না, আশ্বাস দিয়েছেন শতভাগ নিরপেক্ষতার।
বৃহস্পতিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবি নির্বাচন কমিশন অফিসে মনোনয়ন পত্র জমা দেন তামিম। পরে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এমন জানান বিসিবি প্রধান। তার আশা, কোন প্যানেল ছাড়াই একটি উন্মুক্ত ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের।
বলেছেন, ‘যেহেতু আমরা নির্বাচন নিয়ে এত কথা বলেছি, আমার অধীনে আমি যতটুক পারি স্বচ্ছতা রেখে নির্বাচন করা সম্ভব, ওটা করছি। আমি হয়তোবা অংশগ্রহণ করছি। আমি আমার ফর্মটা আজকে জমা দিয়েছি। আমি অংশগ্রহণ করছি ক্লাব নিয়ে।’
কোন তদবির করার সুযোগ নেই জানিয়ে তামিম বলেন, ক্রিকোট বোর্ড থেকে আমিসহ কোন জায়গা থেকে কোনো তদবির বা কোনো ধরনের কোনো অনুরোধ যে অমুকরে করা লাগবে, আমার মনে হয় না আপনারা এটা খুঁজে পাবেন… আমি সবাইকে কঠোরভাবে নির্দেশনা দিয়েছি যে এসব ধরনের আমরা কোনো কিছুতে সাথে জড়াবো না।’
‘এটা বলতে পারি যে আমি কোনো চিঠি সাইন করছি না। আমি কোনো কাউন্সিলরশিপ ফেরাচ্ছি না.. এই জিনিসগুলা পুরোপুরিভাবে সিদ্ধান্ত নিবে ইসি (নির্বাচন কমিশন)। এটাতে ক্রিকেট বোর্ডের কোনো পরিচালক বা সভাপতি বা সিইও তাদের কোনো সংযোগ থাকবে না।- যোগ করেন তামিম।
জানালেন কোনো প্যানেলও থাকছে আসন্ন নির্বাচনে। বলেছেন, ‘আমার কাছে মনে হয় যে এখন পর্যন্ত আমার এরকম কোন (প্যানেল) পরিকল্পলনা নাই। আশা করি একটা উন্মু্ক্ত নির্বাচন হবে। সবাই অংশগ্রহণ করবে, সবাই সবার মতো করে ভোট চাইবে।’
বিসিবি বস জানালেন, ক্লাব কাউন্সিলরদের নিয়ে একটা অনুষ্ঠান করে প্রার্থীদের ভোট চাওয়ার ব্যবস্থা করবে বোর্ড। বলেছেন, ‘সবার সাথে যোগাযোগ করে যদি আমরা একটা অনুষ্ঠান করতে পারি, যেখানে ৭৬টা ক্লাবকে ডেকে সবাই সবার মতো করে ভোট চাক… তাহলে একটা জিনিসটা নির্বাচনের একটা সুন্দর ভাইব আসে।’
বিসিবির নির্বাচন কমিটির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন। তার আগে আগামীকাল শুক্রবার শেষ হবে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার দিনক্ষণ।








