বাংলাদেশের হয়ে সাতটি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২০০৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত টানা লাল-সবুজের দলকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে জায়গা পাননি কেবল ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ায় টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে। তখন মানতে কষ্ট হলেও তা পুষে রাখেননি সাইলেন্ট কিলার।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলের সঙ্গে থাকা কোচ এবং খেলোয়াড়রা জানাচ্ছেন ভাবনা। বুধবার বোর্ড প্রকাশিত ‘দ্য গ্রিন রেড স্টোরি’ করা হয় মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে।
গত বছর এশিয়া কাপে ভরাডুবির পর ভারতের মাটিতে হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপে দলে রাখা হয় মাহমুদউল্লাহকে। এরপর থেকে অবশ্য আস্থার প্রতিদান দিয়ে চলেছেন ৩৮ বর্ষী ব্যাটিং অলরাউন্ডার। ক্যারিয়ারে অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছেন মাহমুদউল্লাহর, তবে নেই কোনো অনুযোগ।
‘উত্থান-পতন তো আমার ক্যারিয়ারের শুরু থেকে কমবেশি ছিল। আমি সব সময় আল্লাহর ওপর বিশ্বাস করি। আমার যা কিছু বলার আমি আল্লাহকেই বলি। আমি সবসময় বিশ্বাস করি আল্লাহ হচ্ছেন সেরা পরিকল্পনাকারী। কারণ ভালো সময় এবং খারাপ সময় সবকিছুতেই শিক্ষনীয় বিষয় থাকে, এটাই আমি বিশ্বাস করি।’
‘২০২২ বিশ্বকাপে যখন আমি ছিলাম না তখন খারাপ লেগেছিল। আমার কাছে মনে হয়েছিল, দলে হয়তো থাকতে পারতাম। কিন্তু হয়নি এবং ওটার জন্য আমার কোনো কষ্টও নেই। আমি সব সময়ই আলহামদুলিল্লাহ, যেটা বলি দলের জন্য যতটুকুই আমি করতে পারি, সেটা আমার উপস্থিতি দিয়ে হোক, পারফরম্যান্স দিয়ে হোক, আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে হোক, আমি আমার সর্বোচ্চটাই সব সময় নিংড়ে দেই।’
২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় মাহমুদউল্লাহর। ৫০টি টেস্ট, ২৩২টি ওয়ানডে ও ১৩১টি টি-টুয়েন্টি খেলার বিশাল অভিজ্ঞতা তার ঝুলিতে। মার্কিন মুলুকে এবারের বিশ্বকাপেও তাকে ঘিরে রয়েছে বড় প্রত্যাশা।








