দীর্ঘ একমাসের লড়াই শেষে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরে ফাইনালের মঞ্চ প্রস্তুত, প্রথমবার শিরোপার লড়াইয়ে নামবে সাউথ আফ্রিকা। প্রতিপক্ষ প্রতিযোগিতার প্রথম চ্যাম্পিয়ন ভারত। হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে দেখে নেয়া যাক পরিসংখ্যানের খতিয়ান।
ব্রিজটাউনে কেনসিংটন ওভালে শনিবার রাতে টিম ইন্ডিয়ার বিপক্ষে নামবে প্রোটিয়াবাহিনী। ২৮ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার মাঠে খেলা শুরু বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়। দুদলই অপরাজিত থেকে এসেছে বিশ্বমঞ্চের ফাইনালে।
‘এ’ গ্রুপে ৪ ম্যাচে ৩ জয় ও কানাডার বিপক্ষে ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হলে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে শীর্ষে থেকে সুপার এইটে ওঠে ২০০৭ সালের চ্যাম্পিয়ন ভারত। দ্বিতীয় রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের সঙ্গে জিতে গ্রুপ-১ এর শীর্ষে থেকে সেমিতে পা রাখে রোহিত শর্মার দল। সেমিফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে ফাইনালের টিকিট কাটে ভারত। ২০১৪ সালের শ্রীলঙ্কার কাছে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ হেরে দ্বিতীয়বার শিরোপা অধরা থেকে গেছে রোহিত-কোহলিদের।
‘ডি’ গ্রুপে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ডস ও নেপালের সঙ্গে চার ম্যাচের সবগুলোতে জয় নিয়ে টেবিলে শীর্ষে থেকে সেরা আটে ওঠে সাউথ আফ্রিকা। সেরা আটে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে গ্রুপ-১ এর শীর্ষে থেকে সেমিতে পা রাখে এইডেন মার্করাম বাহিনী। ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনাল খেলতে আসা আফগানিস্তানকে হারিয়ে প্রথমবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে ওঠে প্রোটিয়া দল।
মুখোমুখির দীর্ঘ পরিসংখ্যানে তাকালে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের জয়ের পাল্লা ভারি। ২৬ টি-টুয়েন্টিতে টিম ইন্ডিয়ার ১৪ জয়ের বিপরীতে প্রোটিয়াদের জয় ১১টিতে। পরিত্যক্ত এক ম্যাচ। ঘর ও প্রতিপক্ষের মাঠেও বেশ শক্তিশালী ভারত। ঘরে ৫ জয়ের বিপরীতে প্রতিপক্ষের মাঠে জয় ৬টি। নিরপেক্ষও ভেন্যুতে তাদের জয় ৩টি। অন্যদিকে ঘরের মাঠে ৩টি ও প্রতিপক্ষের মাঠে ৬টি জয় সাউথ আফ্রিকার, নিরপেক্ষ ভেন্যুতে জয় ২টিতে।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত-সাউথ আফ্রিকার দেখা হয়েছে ৬ বার। সেখানেও এগিয়ে ভারত। তাদের চার জয়ের বিপরীতে সাউথ আফ্রিকার জয় কেবল দুটিতে। বিশ্বমঞ্চে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর ১৮৬, প্রোটিয়াদের ১৭২। সর্বনিম্ন ভারতের ১১৮ রানের বিপরীতে সাউথ আফ্রিকার ১১৬। মুখোমুখি লড়াইয়ের ২০০৭, ২০১০, ২০১২ ও ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ভারত এবং ২০০৯ ও ২০২২ সালের আসরে জিতেছিলো সাউথ আফ্রিকা।








