ওমানকে ৯ উইকেটে হারিয়ে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের চলতি আসরে প্রথম জয়ের মুখ দেখেছে ইংল্যান্ড। ১০১ বল হাতে রেখে পাওয়া জয়ে নতুন কীর্তিও গড়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বআসরে এটি সর্বাধিক বল হাতে রেখে জয়ের রেকর্ড। রানরেট অনেকখানি বাড়িয়ে নেয়ার ফলে টিকে রইল জস বাটলারের দলের সুপার এইটে যাওয়ার আশা।
শুক্রবার অ্যান্টিগায় বাংলাদেশ সময় ভোরে মাঠে গড়ানো বি-গ্রুপের খেলায় ওমান ১৩.২ ওভারে মাত্র ৪৭ রানে অলআউট হয়। জবাবে ইংল্যান্ড মাত্র ৩.১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
বাংলাদেশের মাটিতে হওয়া ২০১৪ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসকে সর্বনিম্নের রেকর্ড ৩৯ রানে অলআউট করে ৯ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। চট্টগ্রামে সেই খেলায় লঙ্কানরা ৯০ বল হাতে রেখে জিতেছিল। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বল হাতে রেখে জেতার সেই রেকর্ড ভেঙেছে থ্রি লায়নরা।
ইংল্যান্ডের স্পিন এবং পেসারদের সামনে ওমানের ব্যাটাররা ছিলেন রীতিমতো অসহায়। পাওয়ার প্লে শেষে দলটির স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ২৫ রান। তখনো বোঝা যায়নি মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি এত অল্পতেই গুটিয়ে যাবে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা দলটির হয়ে শোয়েব খান সর্বাধিক ১১ রানের ইনিংস খেলেন। বাকিরা কেউই দুই অঙ্কের ঘরে স্পর্শ করতে পারেননি।
ইংলিশদের হয়ে আদিল রশিদ চার ওভারে ১১ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। পেসার জফরা আর্চার এবং মার্ক উড ১২ রানের বিনিময়ে পান ৩ উইকেট।
মামুলি লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের প্রথম দুই বলেই ছক্কা হাঁকান ফিল সল্ট। বিলাল খানের তৃতীয় বলে হন বোল্ড। পরের ওভারে কলিমুল্লাহর বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ৫ রান করা উইল জ্যাকস। এরপর বাইশ গজে মিনি ঝড় তোলা জস বাটলার ৮ বলে ৪টি চার ও এক ছক্কায় ২৪ ও জনি বেয়ারস্টো ২ বলে দুটি চারে ৮ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয় পাইয়ে দেন।







