এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
উত্তরবঙ্গের জেলা পঞ্চগড় থেকে প্রতিভার জোরে উঠে এসে শরিফুল ইসলাম। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে প্রতিটা ক্রিকেটপ্রেমীর জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন থাকে। বাঁহাতি এই পেসার লাল- সবুজের জার্সি চড়ানোকে অনেক বড় পাওয়া বলেই স্বীকার করেন। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার আগে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে নিজের মনোভাবের কথা জানিয়েছেন।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলের সঙ্গে থাকা কোচ এবং খেলোয়াড়রা জানাচ্ছেন ভাবনা। মঙ্গলবার বোর্ড প্রকাশিত ‘দ্য গ্রিন রেড স্টোরি’তে কথা বলেছেন শরিফুল।
২৩ বর্ষী ক্রিকেটারের কাছে শান্তর অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সাবলীল ভঙ্গিতে দেয়া উত্তরে বললেন, ‘খুব ভালো। খেলোয়াড়দের স্বাধীনতা দেয়। তার খুব বন্ধুসুলভ আচরণ। সবাই উনাকে খুব পছন্দ করে।’
‘আমরা বোলাররা যদি বিশেষ কিছু করতে চাই, উনাকে বলি। তখন উনি গুরুত্ব সহকারে দেখেন। সব অধিনায়কই দেখে, শান্ত ভাইও দেখেন। শান্ত ভাইয়ের সাথে অনেক দিন ধরে খেলছি। আচরণ থেকে শুরু করে তার সবকিছুই ভালো।’
দলের ভেতর নানা বয়সী ক্রিকেটারদের ভেতর সম্পর্ক ও একে অপরের প্রতি আচরণের নিয়েও শরিফুলের কাছে জানতে চাওয়া হয়। স্পষ্টভাবেই জানালেন, খেলোয়াড়রা প্রকৃতপক্ষে খুব কমই সিনিয়র-জুনিয়র বিষয়টা দেখেন। টিম টাইগার্সের সবচেয়ে সিনিয়র খেলোয়াড় মাহমুদউল্লাহর উদাহরণটাকে বিশেষভাবেই টানলেন।
‘আমরা মনে করি সবাই একটা পরিবার। সবার সঙ্গেই বন্ধুর মতো আচরণ করা হয়। রিয়াদ ভাই যেমন সবার সাথে ভালো মিশে যায়। উনি কিন্তু আমাদের চেয়ে বয়সে সবচেয়ে বড়। উনি এমনভাবে মিশে, মনেই হয় না যে আমাদের সাথে এতো বয়সের ব্যবধান। উনি পুরা টিমটাকে চাঙ্গা করে রাখেন। মনে হয় যে, আমরা খুব ছোটকাল থেকেই একসাথে খেলছি।’
বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নপূরণটাও যে টাইগার পেসারের কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি, সেটি তার সরল স্বীকারোক্তিতেও পরিষ্কার। পেস আক্রমণের সঙ্গী তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে খেলাটাকেও তিনি স্বপ্নের মতোই ভাবেন।
‘প্রতিটা খেলোয়াড়ের স্বপ্ন থাকে বিশ্বকাপ খেলা। সেটা হোক ক্রিকেট, ফুটবল যেকোনো স্পোর্টসের গেম। আমি যদি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করি, সেটা তো অনেক বড় পাওয়া।’
‘বিপিএলে তাসকিন ভাইয়ের সাথে খেলেছি, ডিপিএলে খেলেছে, জাতীয় দলে খেলেছি। মোস্তাফিজ ভাইয়ের সাথে তো খেলাই হয়। আমি যখন অনেক ছোট ছিলাম, তখন ভাবতাম কবে উনাদের সাথে খেলবো। তাদের সাথে এখন খেলছি। অনেক স্বপ্নগুলোর মাঝে এটা একটা ছিল।’
‘বিশ্বকাপটা আসলে পুরা দুনিয়ার সবাই দেখে। যারা ক্রিকেটের অংশ আরকি। সো ওই ক্ষেত্রে ওইখানে সবার একটা ফোকাস থাকে। ওই কারণে আমার মনে হয় যে বিশ্বকাপ খেলতে পারা বা খেলতে গেলে অন্যান্য সিরিজের থেকে বাড়তি একটা অনুভূতি কাজ করে।’







