শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১২৫ রানের স্বল্প লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশ দলের রীতিমতো ঘাম ঝরেছে। ১৯ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছালেও খুইয়ে বসে ৮ উইকেট। টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে লাগাতার ভুগতে থাকা দলটি বিশ্বমঞ্চে এসে বড় কোনো দলকে হারানোয় পেয়েছে স্বস্তি। তবে অধিকাংশ ব্যাটারের ধারাবাহিক ব্যর্থতা নিয়ে অস্বস্তির হয়নি শেষ। তবুও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তাদের পক্ষে সাফাই গাইলেন।
ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে টান টান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন টাইগার অধিনায়ক। সহজ ম্যাচটা কঠিনভাবে জয়ে ব্যাটারদের বাজে ব্যাটিং নিয়ে তার মাঝে কোনো দুশ্চিন্তাই কাজ করছে না বলে সাফ জানিয়ে দেন।
‘আমার মনে হয় না চিন্তার খুব বেশি কারণ রয়েছে। এই কারণেই বলবো কথাটা, খুব চাপের ম্যাচ ছিল। দিন শেষে আমরা জিততে চেয়েছি। ফলাফল নিয়ে যদি চিন্তা করি, দুইটা পয়েন্ট আমরা পেয়েছি।’
‘ব্যাটসম্যানরা সবাই জানে যে আমরা হয়তো ভালো ব্যাটিং করিনি। তবে সবাই প্রতিদিন ভালো খেলবে না। হৃদয় খুব ভালো ইনিংস খেলেছে। রিয়াদ ভাই খেলাটা শেষ করল। লিটন অনেকদিন পরে সুন্দর একটা শুরু দিয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় ভালো আছে। আমি যেটা আশা করবো, যে ব্যাটার যেদিন সেট হবে, সেদিন যেন খেলাটা জেতায়। আমি আশা করি না যে, দলের সাতটা ব্যাটসম্যানই ভালো খেলবে।’
বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের ওপেনারদের ব্যর্থতা যেন এখন এক চিরস্থায়ী দুশ্চিন্তা। দলের প্রয়োজনের সময় কারোর ব্যাটেই আসছে না রান। প্রথম ওভারেই বাজে শটে প্রতিপক্ষকে ক্যাচ উপহার দিয়ে রানের খাতা না খুলে ফেরেন সৌম্য সরকার। তিন রানের বেশি নিতে পারেননি তানজিদ হাসান তামিম।
ওপেনারদের এভাবে আউট হয়ে যাওয়ায় বাকি ব্যাটারদের কাজটা আসলে কতটা কঠিন হয়- এমন প্রশ্ন শান্তর কাছে রাখা হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি নিজের পরিষ্কার মত প্রকাশ করেন।
‘খেলাটা শুধু ওপেনারের না। যে সাত-আটজন ব্যাটসম্যান আমরা ব্যাটিং করি, সবারই দায়িত্ব। আমি অধিনায়ক হিসেবে চাই, যে উইকেটে থিতু হবে, ভালো শুরু পাবে ও যেন খেলাটা শেষ করে। আশা করবো, পরের ম্যাচে ওপেনাররা ভালো একটা শুরু দেবে এবং খেলাটা শেষ করে আসবে। এখন আমি খুবই আশাবাদী যে, সবাই ভালো করবে।’







