বিশ্বকাপে দুদলের সামনেই রয়েছে টিকে থাকার সুযোগ। এমন সমীকরণ সামনে রেখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টসে জিতে আগে ব্যাট নিয়ে বড় সংগ্রহের লক্ষ্যেই ছিল আফগানিস্তান। লঙ্কানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সামনে যদিও ৮ উইকেটে ১৪৪ রানের বেশি বোর্ডে জমাতে পারেনি তারা।
মঙ্গলবার ব্রিসবেনে গ্রুপ ১-এর খেলায় আফগানরা পাওয়ার প্লেতে ওপেনিং জুটিতে ৪২ রান যোগ করে। পাওয়ার প্লে শেষে ভাঙে জুটি। ২৪ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ২৮ রান করে লাহিরু কুমারার বলে বোল্ড হন রাহমানউল্লাহ গুরবাজ।
দলীয় ৬৮ রানের মাথায় উসমান ঘানি সাজঘরে ফেরেন। ভানিডু হাসারাঙ্গার বলে মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে দাসুন শানাকার হাতে ধরা পড়েন। ২৭ বলে ২৭ রান করে যান।
ইব্রাহিম জাদরান ১৮ বলে এক চার ও এক ছক্কায় ২২ রান করে লাহিরুর তৃতীয় শিকার হন। ১৮ রান করে ধনঞ্জয়া ডি সিলভার বলে লংঅফে হাসারাঙ্গার তালুবন্দি হন নাজিবুল্লাহ জাদরান।
চোটের কারণে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের আগে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন হজরতউল্লাহ জাজাই। পরিবর্তে স্কোয়াডে আসা গুলবাদিন নাইব গত নভেম্বরের পর কোনো আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি খেলেননি। একবছর পর সরাসরি বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে একাদশে ঢুকে গেছেন।
১৮তম ওভারে নাইবের উপর দুর্ভাগ্য ভর করে। মিড উইকেটে বল ঠেলে রান নেন মোহাম্মদ নবি। দ্বিতীয় রান নিতে চাইলেও নবি পরে স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা নাইবকে ফিরে যেতে বলেন। দ্রুত দৌড়ের মধ্যে থাকা নাইব ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান, হাত থেকে ছুটে যায় ব্যাট। শরীর গড়াগড়ি দিয়ে নিরাপদে পৌঁছানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা করেন। শেষ রক্ষা হয়নি। পাথুম নিশাঙ্কার ছোড়া বল গ্লাভসে জমা করে উইকেট ভেঙে দেন কুশল মেন্ডিস। হাতে ব্যথা নিয়ে ফিজিওর সঙ্গে মাঠ চাড়েন ১২ রান করা নাইব।
পরে কাসুন রাজিথার বলে শানাকার ক্যাচ হন নবি। আফগান অধিনায়ক ৮ বলে এক চারে ১৩ রানের বেশি করেননি। শেষ ওভারে হাসারাঙ্গা আরও ২ উইকেট তুলে নিলে দেড়শ রানে যেতে ব্যর্থ হয় আফগানিস্তান।
শ্রীলঙ্কার পক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রানে ৩ উইকেট পান হাসারাঙ্গা। লাহিরু কুমারা ২টি ও একটি করে উইকেট নেন রাজিথা ও ধনঞ্জয়া।








