চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ভাষাই হারিয়ে ফেলেছেন ফাইনাল ও টুর্নামেন্টসেরা কারেন

Nagod
Bkash July

বল হাতে আসরজুড়ে আলো ছড়িয়েছেন স্যাম কারেন। ফাইনালেও সেরাটা দিয়ে শিরোপা জেতাতে রাখলেন দারুণ ভূমিকা। ফাইনালসেরা তো বটেই, সিরিজসেরার পুরস্কারটাও তাই গেছে ইংল্যান্ডের তারকা পেসারের ঝুলিতে।

Reneta June

৬ ম্যাচে ৬.৫৩ ইকোনমি রেট ও ১০.৫ স্ট্রাইক রেটে ১৩ উইকেট নিয়েছেন ২৪ বর্ষী ইংলিশ পেসার। পাকিস্তানের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ঝলসে উঠে ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে কারেন নিয়েছেন ৩ উইকেট।

কারেন এখন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ইতিহাসের তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগারের মালিক। ২০১২ বিশ্বকাপে ১২ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছিলেন লঙ্কান স্পিনার অজন্তা মেন্ডিস। একই ম্যাচে ৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন সুনীল নারিন।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের কোনো আসরে ইংলিশ বোলারদের মধ্যে কারেনই এখন সর্বাধিক উইকেট শিকারি। ২০১০ বিশ্বকাপে রায়ান সাইডবটম ও গ্রায়েম সোয়ান এবং ২০১৬ বিশ্বকাপে ডেভিড উইলি নিয়েছিলেন ১০ উইকেট।

এত এত অর্জন। আসরের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নামটা উচ্চারণ হতে চলেছে, অনুমিতই ছিল। সেই ঘোষণা হতেই উচ্ছ্বসিত কারেন বললেন, ‘কিছুটা ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা শিরোপা জয় উপভোগ করতে যাচ্ছি। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া কতই না আনন্দের!’

ম্যাচসেরার পুরস্কারটি অবশ্য ৪৯ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ৫২ রানে অপরাজিত থাকা বেন স্টোকসের পাওয়া উচিৎ ছিল বলেই মত কারেনের।

‘মনে করি না এটা আমার পাওয়া উচিৎ। স্টোকসি যেভাবে ক্রিজে খেলেছে, এটা তার পাওয়া উচিৎ। চ্যাম্পিয়ন হওয়া উদযাপন করাটা খুব বিশেষ কিছু।’

ফাইনালের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট পেসার বলেছেন, ‘মেলবোর্নে বড় বর্গাকার বাউন্ডারি ছিল। জানতাম ব্যাটাররা স্কয়ার দিয়ে মারার চেষ্টা করবে। যতটা ভেবেছিলাম উইকেট ততটা ভালো ছিল না। ধীরগতির বল দিয়ে উইকেটে বল করে গিয়েছি এবং ব্যাটাররা কী করতে চাইছে তা অনুমান করতে থাকি।’

‘প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেললাম এবং আমরা জিতেছি। টুর্নামেন্টে এসে মানিয়ে নিতে চেয়েছিলাম। ডেথ ওভারে আগে খুব বেশি বোলিং করিনি, এটি এমন এক ক্ষেত্র যেখানে আরও উন্নতি করতে চাই। আমার ব্যাটিংয়েও উন্নতি করতে চাই।’

BSH
Bellow Post-Green View