ম্যাচের শুরু থেকেই নামিবিয়ার বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি ওমান। এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন ৬ ব্যাটার। নিয়মিত উইকেট হারিয়ে বোর্ডে জমাতে পারেনি বড় সংগ্রহ। প্রতিপক্ষকে জয়ের জন্য দিতে পেরেছে মাত্র ১১০ রানের লক্ষ্য।
ব্রিজটাউনে সোমবার টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ওমান ১৯.৪ ওভারে ১০৯ রানে অলআউট হয়। ইনিংসের শুরুতে ৩ উইকেট হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দলটি চাপে পড়ে। টপঅর্ডারের তিন ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠান বাঁহাতি পেসার রুবেন ট্রাম্পেলমান।
ম্যাচের প্রথম বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন প্রজাপতি। পরের বলে অধিনায়ক আকিব ইলিয়াস এলবিডব্লিউয়ের শিকার হলে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন ট্রাম্পেলমান। পরে নামিবিয়ার অধিনায়ক গেরহার্ড এরাসমাসের তালুবন্দি হন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নাসিম খুশি।
সপ্তম ওভারে বের্নার্ড স্কোল্টজের বলে লেগ বিফোরে কাটা পড়েন ২০ বলে ৪টি চারে ২২ রান করা জিশান মাকসুদ। মাত্র ৩৭ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে বিপদে পড়ে ওমান।
ধীরগতির ব্যাটিংয়ে পঞ্চম উইকেটে খালিদ কাইল ও আয়ান খান ৩১ রান যোগ করেন। আয়ান ব্যক্তিগত ১৫ রানে এরাসমাসের শিকারে পরিণত হলে জুটি ভাঙে। এরাসমাস তুলে নেন মোহাম্মদ নাদিমের উইকেট।
একপ্রান্ত ধরে রাখা কাইল ৩৯ বলে এক চার ও এক ছক্কায় ৩৪ রানের ইনিংস খেলে ডেভিড ওয়াইজের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন। একই ওভারে তিনি মেহরান খানকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে ক্রিজছাড়া করেন।
১৯তম ওভারে বোলিং আক্রমণে ফেরা ট্রাম্পেলমান তুলে নেন নিজের চতুর্থ উইকেট। কলিমউল্লাহ এলবিডব্লিউ হয়ে মাঠ ছাড়েন। বোর্ডে একশো রান তোলার আগে ওমান ৯ উইকেট হারায়।
ইনিংসের শেষ ওভারে শাকিল ৯ বলে ২ চারে ১১ রান করে আউট হলে ১০৯ রানে থামে ওমানের ইনিংস।
নামিবিয়ার পক্ষে ৪ ওভারে ২১ রানে ৪ উইকেট দখল করেন ট্রাম্পেলমান। আরেক পেসার ওয়াইজ ৩.৪ ওভারে ২৮ রান খরচায় পান ৩ উইকেট।







