ভারতের বিপক্ষে ৫ রানে হারের পর বাস্তবতার বিচারে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সেমিতে খেলার আশায় বড় ধাক্কা লেগেছে। কাগজে-কলমের হিসাবে অবশ্য এখনও সাকিবের দল আসছে চারের দৌড়ে। যে থাকাকে লাইফ সাপোর্টও বলা যায়। সেজন্য যে বহুকিছু ঘটতে হবে।
শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারানোই লাল-সবুজের দলের জন্য যথেষ্ট হবে না। মিলে যেতে হবে আরও কিছু। সেজন্য দুই নম্বর গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের দিকে তাকাতে হবে। ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে সুপার টুয়েলভে টেবিলটির শীর্ষে ভারত। সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে সাউথ আফ্রিকা। ৪ ম্যাচ সমান ৪ পয়েন্ট পেলেও রানরেটে পাকিস্তান তিনে ও বাংলাদেশ টেবিলের চারে আছে।
শেষ ম্যাচে সাউথ আফ্রিকা যদি নেদারল্যান্ডসের কাছে হারে, আর বাংলাদেশ হারিয়ে দেয় পাকিস্তানকে। তখন প্রোটিয়াদের ৫ পয়েন্টই থাকবে। সেক্ষেত্রে শেষ ম্যাচে হারলে পাকিস্তানের পয়েন্ট থাকবে ৪, জিতলে টাইগারদের পয়েন্ট হবে ৬। এমন ঘটলে শেষ চারে চলে যাবে টাইগাররা।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সাউথ আফ্রিকা জিতে গেলেও বাংলাদেশের সেমিফাইনালে যাওয়ার সামান্য একটু সুযোগ থাকবে। সেক্ষেত্রে ভারতকে শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হারতে হবে। একইসঙ্গে অবশ্যই পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশেরও বিশাল ব্যবধানে জয়টা হবে বাধ্যতামূলক।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হেরে বসলে ৬ পয়েন্টই থাকবে ভারতের। পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতলে লাল-সবুজের পয়েন্টও হবে ৬। তখন সেমির সমীকরণে বিবেচনায় আসবে নেট রানরেট। ভারতের রানরেট এখন +০.৭৩০, বাংলাদেশের রানরেট -১.২৭৬। অর্থাৎ, ভারতকে টপকে সেমিতে যেতে রানরেটে আরও কয়েকগুণ এগোতে হবে সাকিবদের। তার চেয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ও নেদারল্যান্ডসের কাছে সাউথ আফ্রিকার হারের সমীকরণটাই তুলনামূলক সহজ!
ডাচদের কাছে উড়তে থাকা প্রোটিয়ারা হারবে, সেটা অবশ্য না হারার আগ পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না। অনেক অঘটনের জন্ম দেয়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সেমিতে যাওয়ার পথকে তাই আপাতত পথহারাই বলা যায়!







