সুইজারল্যান্ড-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এসবিসিসিআই) তার ফ্ল্যাগশিপ ম্যাগাজিন ‘হেলভেটিক’ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে এবং একইসঙ্গে চেম্বারের ১৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাজধানীর রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসবিসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রশিদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত হোস্ট এইচ.ই. রেটো রেঙ্গলি।
এজিএমের আগে চেম্বার আয়োজন করে জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ নিয়ে প্রাক-বাজেট আলোচনা সভা। এতে ডিরেক্টর ও লিগ্যাল অ্যান্ড ফাইন্যান্স স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রধান জনাব দেবব্রত রায় চৌধুরীর নেতৃত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাসান মোহন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস। আলোচনা শেষে চেম্বার সরকারের কাছে করের হার বাড়ানোর পরিবর্তে রাজস্ব বৃদ্ধিমূলক করনীতি গ্রহণের আহ্বান জানায়।
অনুষ্ঠানে এসবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রশিদ বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চেম্বার সহযোগিতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে কাজ করে যাবে। সেক্রেটারি জেনারেল সাদ ওমর ফাহিম ‘হেলভেটিক’ ম্যাগাজিনকে বুদ্ধিবৃত্তিক, বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সেতু হিসেবে বর্ণনা করেন। সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম ভোট অব থ্যাঙ্কস প্রদানকালে এই অনুষ্ঠানকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ বলে অভিহিত করেন।
‘হেলভেটিক’ ম্যাগাজিনের ডিরেক্টর ও সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল হাসনাত বলেন, ম্যাগাজিনটি সফল উদ্যোক্তাদের সাফল্যের গল্প, বিনিয়োগের সুযোগ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরবে এবং ব্যবসায়ী ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সংলাপ গড়ে তুলবে। চেম্বার সদস্যরা নতুন ম্যাগাজিনকে স্বাগত জানিয়ে একে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এসবিসিসিআই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. তারুণ পাটোয়ারী, ডিরেক্টরবৃন্দ মোসাম্মৎ বিদিয়া অমৃত খান, জনাব হেদায়েত উল্লাহ, জনাব সন্তোষ চন্দ্র নাথ, জনাব হারুন-উর-রশিদ, জনাব মিলোস ম্লাদেনোভিচসহ অন্যান্য কর্মকর্তা। এছাড়া নেসলে বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব দীপাল অবয়েবিক্রেমা এবং সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের জনাব খালেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন এসবিসিসিআই’র জনাব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠান শেষে সদস্য ও অংশীজনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় এবং সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও মজবুত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।







