ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওর জেরে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্মীবাঈ কলেজের অধ্যক্ষের দপ্তরে গোবর লেপে দিলেন ছাত্র সংসদের সভাপতি রৌনক খত্রী। ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, অধ্যক্ষ প্রত্যুষ বৎসলা শ্রেণিকক্ষের দেয়ালে গোবর লেপছেন।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) রৌনক খত্রী অধ্যক্ষের দপ্তরের দেওয়ালে গোবর মাখিয়ে দেন। এই ঘটনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অধ্যক্ষের দপ্তরের ভেতরে থাকা একজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলার সময় রৌনক খত্রী সংবাদ মাধ্যম পিটিআইকে বলেন, এই ধরনের উদ্যোগের জন্য ছাত্রদের থেকে কোনো সম্মতি নেয়া হয়নি। যদি গবেষণা করতে চান, তবে নিজের বাড়িতে করুন।
এর আগে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায় অধ্যক্ষ শ্রেণিকক্ষের দেয়াল ঠাণ্ডা করার জন্য গোবর লেপছেন। এই ঘটনার জেরেই উত্তেজনা ছড়ায়।
অধ্যক্ষ গত ১৩ এপ্রিল পিটিআইকে জানিয়েছিলেন যে, অনুষদ-নেতৃত্বাধীন এই উদ্যোগটি দেশীয় এবং টেকসই শীতলীকরণ কৌশল অনুসন্ধানের লক্ষ্যে চলমান গবেষণার অংশ। এটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এক সপ্তাহ পর আমি পুরো গবেষণার বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করতে সক্ষম হব। সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট ছাড়াই ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। প্রাকৃতিক মাটি স্পর্শে কোনো ক্ষতি নেই।
পরে এক্স পোস্টে ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন যে, তিনি এবং তার সমর্থকরা অধ্যক্ষের দপ্তরের দেওয়ালেও গোবর লেপে দিয়ে তাকে সাহায্য করতে গিয়েছিলেন। আমাদের পূর্ণ বিশ্বাস আছে যে ম্যাডাম এখন তার ঘর থেকে এসি সরিয়ে ছাত্রদের দেবেন এবং গোবর লেপা এই আধুনিক এবং প্রাকৃতিক শীতল পরিবেশে কলেজ চালাবেন।
জানা যায়, অধ্যক্ষ শিক্ষকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ভিডিওটি শেয়ার করেছিলেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে সি ব্লকের শ্রেণিকক্ষগুলোকে ঠাণ্ডা করার জন্য এই দেশীয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি লিখেছিলেন, যাদের এখানে ক্লাস আছে তারা শীঘ্রই এই ঘরগুলোকে নতুন রূপে দেখতে পাবেন। আপনাদের শিক্ষাদানের অভিজ্ঞতা আনন্দদায়ক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রশাসন দাবি করেছে যে রাজধানীতে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার মধ্যে টেকসই অনুশীলনের ওপর বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।








