এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে পূর্ব শত্রুতার জেরে নিখোঁজের তিন দিন পর তাসনিয়া খাতুন (১০) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঘাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার রাতে ক্ষেতলাল উপজেলার শালবন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
তাসনিয়া ওই গ্রামের এরশাদুল ইসলামের মেয়ে ও স্থানীয় কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, গত বুধবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর বাড়ি ফিরেনি তাসনিয়া। প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এরই একপর্যায়ে শুক্রবার রাতে প্রতিবেশীরা একরামুল ইসলামের গোয়ালঘরে তল্লাশির সময় একটি বস্তার ভেতর শিশুটির মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়েছে।
গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তাসনিয়ার বাবা এরশাদুলের সাথে একই গ্রামের একরামুলের পূর্ব শত্রুতা ছিল। ঘটনার পর একরামুল পালিয়ে যায়। তবে স্থানীয়রা তার বাড়ির কাজের মেয়ে আন্জুয়ারাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে একরামুলের স্ত্রী হাবিবাকেও আটক করে পুলিশ।
ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল করিম বলেন, তাসনিয়া নামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একরামুলের স্ত্রী হাবিবা ও কাজের মেয়ে আঞ্জুয়ারাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাসনিয়ার বাবার সাথে একরামুলের পরিবারের পূর্ব শত্রুতা ছিল। সেই শত্রুতার জের ধরে তাসনিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হতে পারে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পর হত্যার আসল রহস্য জানা যাবে। এর সাথে জড়িত অন্যদেরকেও গ্রেফতারে জোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।







