ঢাকার বাইরে ৬৩ জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়ায় উদ্বেগে স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ঠরা। ডেঙ্গুতে মৃত্যু কমাতে সারাদেশের সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্তকর্তাদের জাতীয় গাইড লাইন মেনে চিকিৎসা করার জোর তাগিদসহ নির্দেশনা দিয়ে মিটিং করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ঢাকার বাইরে স্থানীয় পর্যায়ে ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসার নিশ্চয়তায় সংশ্লিষ্ঠদের নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
চলতি মৌসুমে ডেঙ্গুতে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে মৃত্যু সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০ হাজার ৭৫৪ জন। মাত্র ১৬ দিনে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন ২১১ জন। ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ সেপ্টম্বর পর্যন্ত ৮০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গুতে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে নাজমুল হক বলেন, আগষ্ট মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর উর্ধ্বমুখী প্রবণতা শেষ দিকে কিছুটা কমলেও কদিন ধরে আবারও তা বাড়তির দিকে। ফলে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। অনেক সচেতন রোগীই হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সাথে সংযোগ রেখে রোগীদের বাড়িতেই চিকিৎসা করাচ্ছেন।
গত কদিন ধরেই ঢাকার বাইরে ৬৩ জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখা বেড়ে যাওয়াই উদ্বেগে স্বাস্থ্য বিভাগ। ডেঙ্গুতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সারাদেশের সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নানান নির্দেশনা দিয়ে মিটিং করেছে। পরে এক ব্রিফিংয়ে দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
ঐ আলোচনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঢাকার বাইরে জেলা-উপজেলায় সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে ডেঙ্গুর আক্রান্তদের তরল ব্যবস্থাপনায় মনোযোগী হবার নির্দেশনা দেয়। এক্ষেত্রে আক্রান্তদের অকারণে ঢাকামুখী হবার প্রবণতা ঠেকাতে স্থানীয় চিকিৎসকদের আন্তরিক হওয়া এবং জাতীয় চিকিৎসা গাইডলাইন ফলো করতে কঠোর নির্দেশনাও দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।







