খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, দেশে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি থাকলেও বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। লাইসেন্সবিহীনভাবে খাদ্যপণ্য মজুদকারী ও লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ (২০ আগস্ট) বুধবার সকাল ১১টায় দিনাজপুর সার্কিট হাউসে রংপুর বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, লাইসেন্সে স্পষ্ট উল্লেখ থাকে কতটুকু পরিমাণ খাদ্যপণ্য কতদিন রাখা যাবে। যারা এই নিয়ম মানবে না, তাদের ধরা হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা এ ধরনের অনিয়মে জড়িত থাকেন, তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে কিছু কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে।
আলী ইমাম মজুমদার বলেন, চাহিদার তুলনায় এক কোটি মেট্রিক টন চাল অতিরিক্ত উৎপাদন হওয়া সত্ত্বেও বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রতি কেজি চাল উৎপাদনে ২০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দিচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চালকে ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, ধান-চাল সংগ্রহের সময় সাময়িকভাবে বাজারে মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেলেও এখন তা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আমদানিকৃত চাল বাজারে আসতে শুরু করেছে এবং তিন ধাপে নেওয়া ব্যবস্থা, যেমন—চাল আমদানি, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং তদারকির ফলে বাজারে চাপ কমেছে। শিগগিরই চালের দাম আরও কমবে।
উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে সারা দেশে ৫৫ লাখ মানুষ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন, যার মধ্যে রংপুর বিভাগের উপকারভোগী ৯ দশমিক ৫ লাখ। ১৭ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি চলবে পরবর্তী ছয় মাস। প্রয়োজনে উপকারভোগীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।








