কর্মরত অবস্থায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ৪৮তম বিসিএস’র চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলামের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজসমূহের সাবেক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ।
গতকাল রোববার (১৭ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব জানানো হয়।
একইসাথে এই হামলার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি আহত চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলামের সুচিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত একজন রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত অবস্থায় চিকিৎসকের ওপর এ ন্যাক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। চিকিৎসাসেবা একটি অত্যন্ত মানবিক ও সংবেদনশীল পেশা। আমাদের সীমিত জনবল, অবকাঠামোগত সংকট এবং অতিরিক্ত কর্মচাপের মধ্যেও চিকিৎসকগণ রোগীদের জীবন রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছেন। সেই দায়িত্ব পালন অবস্থায় যদি চিকিৎসকগণের ওপর শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও আক্রান্ত হতে হয়, তা কোনভাবেই কাম্য নয়।
আমরা গভীরভাবে লক্ষ্য করছি যে, অতীতেও বহুবার দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতাল কখনোই সহিংসতার স্থান হতে পারে না। প্রয়ই এসব ক্ষেত্রে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় এক ধরনের দণ্ডমুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
বিবৃতি আরও উল্লেখ করা হয়, চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এরূপ পরিস্থিতি স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ সেবগ্রহীতাগণই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
উল্লেখ্য, শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গত ১৫ মে রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নাসিরের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।







