গতবছর কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে শুরুতে খুব বেশি ভালো করতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক। যদিও শিরোপাজয়ী কলকাতার ফাইনালে ঝলক দেখিয়েছিলেন। চলতি আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে প্রথম তিন ম্যাচ ভালো করলেও সবশেষ ছন্দ হারিয়েছেন। রান খরচের বিব্রতকর এক রেকর্ড গড়েছেন ৩৫ বর্ষী অজি তারকা।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে জয়ের রাতে স্টার্ক ইনিংসের তৃতীয় ওভারে দেন ৩০ রান। দিল্লির দ্বিতীয় বোলার হিসেবে আইপিএলে ৩০ বা এর বেশি রান খরচ করলেন। আগের তিন ম্যাচ মিলিয়ে স্টার্ক ৯ উইকেট শিকার করেছেন। এরমধ্যে ফাইফার এক ম্যাচে। যদিও টুর্নামেন্টটির এক ওভারে সর্বোচ্চ রান খরচের তালিকায় তার উপরে আছেন আরও ৭ জন।
আগে ব্যাটে নেমে শুরুতে রীতিমতো ঝড় তুলেছিল বেঙ্গালুরু। ৩ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে বোর্ডে ৫৩ রান যোগ করে। এরমধ্যে তৃতীয় ওভারেই আসে ৩০ রান। স্টার্কের করা ওভারটিতে ২টি ছক্কা ও ৩টি চার মারেন ফিল সল্ট। আরেকটি চার হয় প্যাডে লেগে। যদিও ম্যাচের অন্য ওভারগুলোয় বিব্রতকর কিছুর মুখোমুখি হতে হয়নি স্টার্ককে। বাকি ২ ওভারে তিনি দিয়েছেন মাত্র ৫ রান। সবমিলিয়ে ৩ ওভারে ৩৫ রান খরচায় স্টার্ক ছিলেন উইকেটশূন্য।
এর আগে দিল্লি জার্সিতে সর্বোচ্চ ৩২ রান খরচ করার রেকর্ড গড়েছিলেন এনরিখ নর্টজে। গত আসরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার রোমারিও শেফার্ড তাকে তিক্ত স্বাদ দিয়েছিলেন। প্রোটিয়া তারকা নর্টজে চলতি আসরে খেলছেন কলকাতার হয়ে। অবশ্য স্টার্ক-নর্টজেদের চেয়েও আইপিএলের এক ওভারে আরও বেশি রান দেয়ার নজির রয়েছে।
ভারতীয় টুর্নামেন্টটিতে এক ওভারে সর্বোচ্চ সমান ৩৭ রান খরচের রেকর্ড রয়েছে দুজনের। ২০১১ আসরে প্রশান্ত পরমেশ্বরন (ব্যাটার ক্রিস গেইল) এবং ২০২১ আইপিএলে হার্শাল প্যাটেল (ব্যাটার রবীন্দ্র জাদেজা) বিব্রতকর কীর্তিতে নাম লেখান। ২০২২ সালে ড্যানিয়েল স্যামসের এক ওভারে ৩৫ রান নেন প্যাট কামিন্স। পারভিন্দর আওয়ানার এক ওভারে সুরেশ রায়না (২০১৪) এবং রবি বোপারার বলে মনোজ তিওয়ারি ও গেইল (২০১০) মিলে নিয়েছিলেন সমান ৩৩ রান করে। নরর্টজে ৩২, রাহুল শর্মা ৩১ এবং সবশেষ স্টার্ক ৩০ রান খরচ করলেন এক ওভারে।
স্টার্কের বিব্রতকর তালিকায় নাম লেখানোর ম্যাচে অবশ্য ১৩ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখে জয়ে পেয়েছে দিল্লি। এদিন আগে ব্যাটে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৩ রান তোলে বেঙ্গালুরু। লক্ষ্য তাড়ায় লোকেশ রাহুল ৫৩ বলে ৯৩ এবং প্রোটিয়া তারকা ত্রিস্তানন স্টাবস ২৩ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত থেকে জয় বন্দরে নোঙর করান।







