দেশীয় চলচ্চিত্রের সমৃদ্ধিতে অবদান রাখছে স্টার সিনেপ্লেক্স। দেশের সর্বাধুনিক এই সিনে থিয়েটারটি শনিবার ১৮ বছরে পা দিল।স্টার সিনেপ্লেক্সের ১৮ বছর পূর্তিতে রাজধানীর মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারের সিনেপ্লেক্সের শাখায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাহবুর রহমান রুহেল জানান, আগামীতে স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রযোজনায় ৪ ছবি নির্মিত হবে। অন্তত ৩টি ছবি আগামী বছরই মুক্তি পাবে।
মাহবুব রহমান বলেন, চলচ্চিত্রে এখন সুবাতাস বইছে। ২০১৮ সালের খুব হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। আমাদের মতো করে বাংলা সিনেমা পাচ্ছিলাম না। সেই হতাশা থেকেই ‘ন ডরাই’ ছবি নির্মাণ করি এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে একাধিক সাফল্য পায় ছবিটি। ঘুরে দাঁড়ানোর সময় মহামারির কবলে পড়তে হয়। হলগুলো বন্ধ হয়ে যায়। আমরা খেয়ে না খেয়ে তখন নিজেদের টিকিয়ে রেখেছিলাম। আশার কথা, আবারও আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি।
সিনেপ্লেক্সের ১৮তম বর্ষ পূর্তিতে মাহবুব রহমান বলেন, ’হাওয়া’ ছবিটি অতীতের বাংলা ছবির ব্যবসায়িক সাফল্যের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। হাওয়া’র পরে অপারেশন সুন্দরবন ছবিটিও ভালো চলছে। আগামীতে দামাল মুক্তি পাবে। আমাদের প্রত্যাশা এই ছবিটিও আগামীতে ভালো চলবে।
স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান বলেন, এই শুভদিনে জানাতে চাই, আমরা ৪টি সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। স্ক্রিপ্টের কাজ চলছে। আশা করছি আসছে বছর অন্তত ৩টি সিনেমা আপনাদের উপহার দিতে পারব। কারণ বাংলা সিনেমার এ হাওয়া আমাদের সবাইকে মিলে ধরে রাখতে হবে।
বর্তমানে একটি ভিআইপি হলসহ স্টার সিনেপ্লেক্সের মোট পাঁচটি হল রয়েছে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে। এ ছাড়া ধানমন্ডির সীমান্ত স্কয়ার এবং মহাখালীর এসকেএস টাওয়ার, মিরপুরের সনি স্কয়ার এবং সামরিক জাদুঘরে এর শাখা রয়েছে। শুধু ঢাকা নয়, চট্টগ্রাম, বগুড়ায় নির্মিত হতে যাচ্ছে নতুন শাখা।
ঢাকার উত্তরা, কুমিল্লাসহ দেশব্যাপী আরও সিনেপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান।
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে ২০০৪ সালের ৮ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ১৮ বছর পূর্ণ করছে স্টার সিনেপ্লেক্স। ১৮ বছর পূর্তিতে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন ‘দামাল’ ছবির পরিচালক রায়হান রাফী, সিয়াম আহমেদ, বিদ্যা সিনহা মিম, রাশেদ মামুন অপু। আরও ছিলেন আজমেরী হক বাঁধন, সাইমন সাদিক, রোশান, সুনেরাহ বিনতে কামাল, চয়নিকা চৌধুরী, দীপংকর দীপন।







