বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে আগামী এক বছর জ্বালানি তেল আমদানি কঠোরভাবে সীমিত করার ঘোষণা দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ইউরোপে জ্বালানি গ্যাস সঙ্কট আবারো বেড়ে গেছে।
জার্মানিতে জ্বালানি গ্যাসের সরবরাহ আবারো কমিয়ে দিয়েছে রাশিয়া। কারণ হিসেবে মস্কো জরুরি মেরামত কাজের কথা বললেও ইউক্রেনের অভিযোগ, গ্যাস বন্ধ করে ইউরোপকে জিম্মি করছে রাশিয়া। গ্যাস সঙ্কট নিয়ে আলোচনায় বসবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো।
ইউক্রেনের যুদ্ধের বাস্তবতায় স্পষ্ট হয়েছে আরেকটি বাস্তবতা। তা হলো জ্বালানি গ্যাসের জন্য ইউরোপের রাশিয়ানির্ভরতা। ২০২১ সালেও ইউরোপের মোট জ্বালানি গ্যাসের ৪০ শতাংশই যোগান দিয়েছে মস্কো। আর তাই সোমবার যখন রাশিয়ার জ্বালানি প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রম তাদের নর্ড স্ট্রিম-ওয়ান পাইপলাইন দিয়ে জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এতে টনক নড়েছে ইউরোপের।
ইউক্রেনের অভিযোগ এটি রাশিয়ার জ্বালানি-সন্ত্রাসের অংশ। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্স্কির দাবি, সামনের শীতকালে ইউরোপকে বিপাকে ফেলার আয়োজন করছে রাশিয়া। তবে মস্কোর দাবি, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণেই সরবরাহে বাধা পড়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম-ওয়ান বাল্টিক সাগরের নিচ দিয়ে রাশিয়া থেকে জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ করে থাকে। এর আগেও এই পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহে বাধা পড়েছিলো। জুলাইয়ের শুরুর দিকে রক্ষণাবেক্ষণের কথা বলে ১০ দিনের জন্য গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়।
ইউরোপে যখন গ্যাস সঙ্কট তখন তেল আমদানি বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিলো অর্থনৈতিক সঙ্কটে থাকা শ্রীলঙ্কা। লঙ্কান জ্বালানি মন্ত্রী কাঞ্চানা বিজয়সেকারা জানিয়েছেন, রিজার্ভ সঙ্কটের মুখে আগামী ১২ মাসের জন্য জ্বালানি তেল আমদানি সীমিত করেছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। তবে আগস্টে ৩০ হাজার টনের দু’টি চালান আমদানি করবে শ্রীলঙ্কা।







