সংস্কার শেষে উদ্বোধন উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতির সুসজ্জিত আদালত কক্ষে বিশেষ অধিবেশন হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের উপস্থিতিতে সোমবার বিকেলে নজিরবিহীন এই অধিবেশন হয়।
অধিবেশনে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান দেশের আদালত ও বিচার ব্যবস্থার ধারাবাহিক ইতিহাস তুলে ধরেন। সেই সাথে দেশের বিচার বিভাগকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখা বিচারপতি ও আইনজীবীদের স্মরণ করেন তিনি।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিচারকাজ পরিচালনা করতে এই আদালত এখন সম্পূর্ণ সক্ষম।’
অনেক ঐতিহাসিক রায় এই আদালত কক্ষ থেকে এসেছে উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বিচার বিভাগের মর্যাদা সমুন্নত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন৷ সেই সাথে আজকের দিনটিকে নতুন একটি দিনের সূচনা বলে অবিহিত করেন প্রধান বিচারপতি।

এদিকে আজই প্রথম দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এজলাস কক্ষের ভেতরের ছবি ও ভিডিও ধারণ ও প্রকাশের অনুমতি দেয়া হয়। তবে আজকের ধারণ করা এজলাস কক্ষের ছবি ও ভিডিও ফুটেজ সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ছাড়া পরবর্তীতে আর ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আজকের এজলাস কক্ষের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ থেকে উপস্থিত আইনজীবীসহ সবাইকে বিরত থাকতে বলা হয়।
আজকের এই বিশেষ অধিবেশনে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন সুপ্রিম কোর্টের দেয়া সবঐতিহাসিক রায় ও সুপ্রিম কোর্টের তাৎপর্যপূর্ণ সব ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
অধিবেশনে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন উচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি নীতিমালা প্রনয়নের জন্য প্রধান বিচারপতির প্রতি আহবান জানান।
আজকের এই বিশেষ অধিবেশনে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক ও বর্তমান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির কর্মকর্তাবৃন্দ।







