২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ী দুদলের মধ্যে লা ফিনালিস্সিমা আয়োজনের সিদ্ধান্তে এসেছে ফিফা। ২০২৬ সালের মার্চের শেষ সপ্তাহে হবে দুই মাহাদেশীয় চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা-স্পেনের শিরোপা লড়াই। এর মধ্যে দিয়ে প্রথমবার লিওনেল মেসির মুখোমুখি হবে বার্সার নতুন ১০ নম্বর জার্সিধারী লামিন ইয়ামাল।
রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) এবং আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) প্রেসিডেন্ট রাফায়েল লৌজান এবং ক্লাওদিও তাপিয়ে একটি আলোচনার মধ্যে দিয়ে ফিনালিস্সিমার সময় নির্ধারন করেছেন। ফিফার ক্যালেন্ডারে অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২৬ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক খেলার সময় ফাঁকা আছে। অর্থাৎ এই ৫ দিনের মধ্যেই হবে কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন ও ইউরোপ চ্যাম্পিয়নের মধ্যে হয়ে থাকে এক ম্যাচের শিরোপা নির্ধারণী মহারণ।
দিন ঠিক হওয়ার পর নির্ধারণ করা হবে ম্যাচের ভেন্যু। আগের আয়োজক লন্ডন আবারও আয়োজনের জন্য ফিফাফে প্রস্তাব দিয়েছে। দৌড়ে আছে কাতার ও সৌদি আরবও, তবে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছে ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ সৌদি আরব।
ফিনালিস্সিমাতে খেলতে হলে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। আর্জেন্টিনা ইতিমধ্যে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তাদের সাথে যুক্ত হয়েছে ব্রাজিল এবং ইকুয়েডোরও। কিন্তু স্পেন এখনও বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের খেলা শুরু করেনি। লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল সেপ্টেম্বরে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু করবে বিশ্বকাপ বাছাই অভিযান।
স্পেন যদি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব থেকে বাদ পড়ে বা গ্রুপপর্বে দ্বিতীয় হয়ে বাছাইয়ের প্লে-অফ খেলে তাহলে ফিনালিস্সিমা বাতিল হতে পারে। কারণ ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় বসবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের আসর। আর বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা ও স্পেন দুদলের কেউই ফিনালিস্সিমা খেলার জন্য আগ্রহী না।
লা ফিনালিস্সিমার চতুর্থ আসরে দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে মেসির বিপক্ষে ইয়ামালের লড়াই। বিশ্বজয়ী মেসি প্রথমবার ২০২২ সালে ফিনালিস্সিমা জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন। সেবার ইউরোজয়ী ইতালিকে ৩-০তে হারিয়েছিল কোপাজয়ী আর্জেন্টিনা।
এরআগে, উরুগুয়ে এবং ফ্রান্সের মধ্যে ১৯৮৫ সালে প্রথম হয়েছিল ফিনালিস্সিমা। সেসময় এটি আর্টেমিও ফ্রাঞ্চি কাপ নামে পরিচিত ছিল। প্যারিসের সেই ম্যাচে ২-০ গোলে জিতেছিল ফ্রান্স। পরে ১৯৯৩ সালে মার দেল প্লাটাতে ডেনমার্ককে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা।







