জো রুট ও জ্যাকব বেথেলের সেঞ্চুরি ও জেমি স্মিথ ও জশ বাটলারের ফিফটিতে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে চার শতাধিক রানের সংগ্রহ গড়েছিল ইংল্যান্ড। প্রোটিয়াদের সামনে হিমালয়সম লক্ষ্য দাঁড় করিয়ে বোলিংয়ে ঝড় তুলেছেন জফরা আর্চার ও আদিল রশিদ। সফরকারী দলটিকে ৭২ রানে গুটিয়ে ওয়ানডে ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হার দেখাল ইংল্যান্ড।
সাউথ আফ্রিকাকে ৩৪২ রানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় পরাজয় এটি। আগে সবচেয়ে বেশি রানে পরাজয়ের রেকর্ডটি ছিল শ্রীলঙ্কার। ২০২৩ সালে ভারতের ৩৯১ রান তাড়ায় নেমে ৩১৭ রানে হেরেছিল লঙ্কানরা।
সাউদাম্পটনের টসে হেরে আগে ব্যাটে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ৪১৪ রান করে ইংল্যান্ড। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ইংলিশদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ এটি। এর আগে ২০১৬ সালে ব্লুমফন্টেইনে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ৯ উইকেটে ৩৯৯ রান করেছিল ইংল্যান্ড। জবাবে নেমে ২০.৫ ওভারে ৭২ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস। বড় পরাজয় দেখলেও তিন ম্যাচের সিরিজে প্রথম দুটিতে জিতে আগেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে সাউথ আফ্রিকা। তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ইংল্যান্ড জেতায় সিরিজ শেষে হয়েছে ২-১ ব্যবধানে।
রান তাড়ায় প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ২০ রান করেন কোরবিন বোশ। কেশব মহারাজ ১৭ এবং ত্রিস্তান স্টাবস ১০ রান করেন। বাকিদের কেউ দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা চোটের কারণে ব্যাটে নামেননি। প্রোটিয়ারা থামে ৭২ রানে।
জফরা আর্চার ৯ ওভারে ১৮ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন। আদিল রশিদ ৩.৫ ওভারে ১৩ রানে নেন ৩ উইকেট। বাইডন কার্স নেন ২ উইকেট।
এর আগে ব্যাটে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৫৯ রান আসে ইংল্যান্ডের। ৩৩ বলে ৩১ রানে বেন ডাকেট ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ১১৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ৪৮ বলে ৬২ রান করে ফিরে যান স্মিথ। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও একটি ছক্কার মার।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৮২ রান তোলেন জ্যাকব বেথেল ও জোট রুট। ৭৬ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন বেথেল। ৪০.২ ওভারে ২৯৯ রানে বেথেল ফিরে যান ১১০ রান করে। তার ৮২ বলের ইনিংসটিতে ছিল ১৩টি চার ৩ ছক্কা। ৩০২ রানে ফিরে যান হ্যারি ব্রুক। এরপর জশ বাটলারকে নিয়ে আরও ৬৯ রান যোগ করেন রুট। ৯৬ বলে ১০০ রানে রুট ফিরলে জুটি ভাঙে। রুটের ইনিংসে ছিল ৬টি চারের মার।
এরপর উইল জ্যাকসকে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন বাটলার। ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৩২ বলে ৬২ রান করেন বাটলার। ২ চার ও ১ ছক্কায় ৮ বলে ১৯ রান করেন জ্যাকস।
প্রোটিয়াদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন কোরবিন বোশ ও কেশব মহারাজ।








