ব্যাটে দীর্ঘ সময় বাজে কাটিয়ে অবশেষে রান পেয়েছেন সৌম্য সরকার। নিউজিল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে খেলেছেন দেড়শ পেরোনো ইনিংস। এমন অর্জনের দিনে সৌম্য জানালেন, ফিরে আসার যাদের অবদান রয়েছে তাদের কথা।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৫১ বলে ২২ চার ও ২ ছয়ে ১৬৯ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেছেন সৌম্য। ম্যাচটা অবশ্য জিততে পারেনি বাংলাদেশ। হেরেছে ৭ উইকেটে। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে মনের দুয়ার খুলে দেন তারকা ওপেনার। সেখানে জানান তাকে সমর্থন করা ও পাশে থাকা মানুষগুলোর কথা।
‘সবার আগে আমি ধন্যবাদ দিবো আমার পরিবারকে। আমার বউকে। সবকিছুতে সমর্থন করার জন্য। আমার সতীর্থরা তো আছেই। যতটুকু অনুশীলন করার সুযোগ পাচ্ছি, ব্যাটিং করছি সেও (হাথুরুসিংহে) অনেক সমর্থন করেছে। ভালো ইনিংসের জন্য ছোট ছোট বিষয়গুলো ধরিয়ে দিচ্ছে।’
‘সৌম্য, সৌম্যই ছিলাম। হয়তো হাথুরুসিংহে আমাকে ভালো বোঝেন। যে কারণে এমন ছোট একটা কথা বলেছেন, যা আমার কাজে দিয়েছে। আমরা ব্যাপারটাকে কীভাবে দেখি, সেটাই বড় বিষয়। আপনারা যদি কারও নেতিবাচক দিক খোঁজেন, তাহলে শুধু নেতিবাচকতাই পাবেন। ইতিবাচকভাবে দেখলে অনেক ইতিবাচকতা খুঁজে পাবেন। হয়তো তিনি ইতিবাচক দিকটা নিয়েই চিন্তা করেন।’
নেলসনে কিউই বোলিং আক্রমণ চুরমার করে খেলা বিধ্বংসী ইনিংসটি দিয়ে দারুণ এক রেকর্ড গড়েছেন সৌম্য। কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে তিনি এখন এশিয়ান ব্যাটার হিসেবে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ইনিংসের মালিক। ২০০৯ সালের মার্চে ক্রাইস্টচার্চে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ১৬৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন শচীন। সেই রেকর্ড ১৪ বছর পর ভেঙে দিলেন সৌম্য।
ওয়ানডেতে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংসটিও এখন সৌম্যর। জিম্বাবুয়েতে ২০০৯ সালে ১৫৪ রানের ইনিংস ছিল তামিম ইকবালের। সেটি টপকে গেছেন ৩০ বর্ষী সৌম্য।







